ঢাকা ০৯:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo চাটমোহরে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo চাটমোহরে বিদেশ প্রত্যাগত অভিবাসীদের পুনঃএকত্রীকরনে রেইজ প্রকল্পের ভূমিকা শীর্ষক ওরিয়েন্টেশন Logo চাটমেহরে আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত Logo নারী মাদক পাচারকারী আটক ও ৩৩০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ Logo উত্তাল বঙ্গোপসাগর, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত Logo জ্যৈষ্ঠের গরমে তাল শাঁসের ব্যাপক চাহিদা Logo চাটমোহরে শিল্পী সমাজীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo ভারতে অস্ত্র চোরাচালান বন্ধ করেছে আ. লীগ সরকার : প্রধানমন্ত্রী Logo পাবনার ভাঁড়ারা ইউপি চেয়ারম্যান সুলতান গ্রেপ্তার Logo গুরুদাসপুরে জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে তামাকের মূল্য ও কর বৃদ্ধির দাবীতে অবস্থান কর্মসূচী

ঈশ্বরদীতে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৩:৫২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪ ১৪ বার পঠিত

ঈশ্বরদীতে খায়রুল ইসলাম (৪২) নামে এক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষরা। শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) বিকাল ৪টার দিকে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের চরগড়গড়ি আলহাজ্ব মোড় এলাকায় দুই গ্রুপের মারামারির ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ঈশ্বরদী হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় দু’পক্ষের আরো ১৫ জন আহত হয়েছেন। নিহত খায়রুল ইসলাম চরগড়গড়ি গ্রামের নছিম প্রামানিকের ছেলে ও সাহাপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।
নিহতের ভাতিজা আলিফ হোসেন বলেন, জমি সংক্রান্ত ঘটনার জের ধরে চরগড়গড়ি গ্রামের হুসেন আলী মাষ্টারের ছেলে রিয়াজুল ইসলাম, সামাদের ছেলে নুরুল ইসলাম, নায়েব আলীর ছেলে শাহীন ও ইয়ার আলী মৌলভীর ছেলে মজনুসহ ৩০-৩৫ জনের একটি গ্রুপের সঙ্গে একই গ্রামের আনছার আলী প্রামানিকের ছেলে সাজু প্রামানিকের গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় খায়রুল ইসলাম দু’পক্ষের বিরোধ মিটাতে গেলে রিয়াজুল ও মজনুসহ তার সঙ্গে থাকা লোকজন দা দিয়ে খায়রুল ইসলামের ঘাড়ের নিচে কোপ দেয়। এরপর তার সঙ্গে থাকা লোকজন তাকে লাঠি দিয়ে গুরুতর আহত করে। তাকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন।
চরগড়গড়ি গ্রামের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম সরদার জানান, জমি সংক্রান্ত ঘটনার জের ধরে কয়েকদিন ধরে দু’পক্ষের মধ্যে রেষারেষি চলছিল। আজ শুক্রবার সকালে সকালে এ ঘটনায় দু’পক্ষের মধ্যে কথাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। বিকাল ৪টার দিকে আলহাজ্ব মোড়ের পশ্চিমপাশে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় ১৫ জনের বেশি আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন, মসলেম মন্ডলের ছেলে আব্দুল মজিদ মন্ডল, জলিল ফকিরের ছেলে জামাত আলী ফকির, ইউসুফ আলীর ছেলে পিন্টু, শাহাদত হোসেনের ছেলে জমির উদ্দিন, জলিল ফকিরের ছেলে নাছির উদ্দিন ও রাসেল, আনছার প্রামানিকের ছেলে সাজু প্রামানিক, হানিফ হোসেনের ছেলে রব্বে হোসেন, সাত্তার হোসেনের ছেলে সানাউল্লাহ মন্ডল, হিরাজ সরদারের চেলে কহর আলী সরদার, ইয়ারুল সরদারের ছেলে আলিম সরদার, হালিম মন্ডলের ছেলে আলিম মন্ডল, মোজাম প্রামানিকের ছেলে জিল্লু প্রামানিক ও ইছাহক হোসেন। আহতদের ঈশ্বরদী, পাবনা ও রাজশাহী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম বলেন, জমি সংক্রান্ত ঘটনার জের ধরে এ হত্যা কান্ড ঘটেছে। পুলিশ মরদেহ হেফাজতে নিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।

ট্যাগস :

ঈশ্বরদীতে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট সময় : ০৩:৫২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪

ঈশ্বরদীতে খায়রুল ইসলাম (৪২) নামে এক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষরা। শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) বিকাল ৪টার দিকে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের চরগড়গড়ি আলহাজ্ব মোড় এলাকায় দুই গ্রুপের মারামারির ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ঈশ্বরদী হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় দু’পক্ষের আরো ১৫ জন আহত হয়েছেন। নিহত খায়রুল ইসলাম চরগড়গড়ি গ্রামের নছিম প্রামানিকের ছেলে ও সাহাপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।
নিহতের ভাতিজা আলিফ হোসেন বলেন, জমি সংক্রান্ত ঘটনার জের ধরে চরগড়গড়ি গ্রামের হুসেন আলী মাষ্টারের ছেলে রিয়াজুল ইসলাম, সামাদের ছেলে নুরুল ইসলাম, নায়েব আলীর ছেলে শাহীন ও ইয়ার আলী মৌলভীর ছেলে মজনুসহ ৩০-৩৫ জনের একটি গ্রুপের সঙ্গে একই গ্রামের আনছার আলী প্রামানিকের ছেলে সাজু প্রামানিকের গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় খায়রুল ইসলাম দু’পক্ষের বিরোধ মিটাতে গেলে রিয়াজুল ও মজনুসহ তার সঙ্গে থাকা লোকজন দা দিয়ে খায়রুল ইসলামের ঘাড়ের নিচে কোপ দেয়। এরপর তার সঙ্গে থাকা লোকজন তাকে লাঠি দিয়ে গুরুতর আহত করে। তাকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন।
চরগড়গড়ি গ্রামের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম সরদার জানান, জমি সংক্রান্ত ঘটনার জের ধরে কয়েকদিন ধরে দু’পক্ষের মধ্যে রেষারেষি চলছিল। আজ শুক্রবার সকালে সকালে এ ঘটনায় দু’পক্ষের মধ্যে কথাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। বিকাল ৪টার দিকে আলহাজ্ব মোড়ের পশ্চিমপাশে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় ১৫ জনের বেশি আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন, মসলেম মন্ডলের ছেলে আব্দুল মজিদ মন্ডল, জলিল ফকিরের ছেলে জামাত আলী ফকির, ইউসুফ আলীর ছেলে পিন্টু, শাহাদত হোসেনের ছেলে জমির উদ্দিন, জলিল ফকিরের ছেলে নাছির উদ্দিন ও রাসেল, আনছার প্রামানিকের ছেলে সাজু প্রামানিক, হানিফ হোসেনের ছেলে রব্বে হোসেন, সাত্তার হোসেনের ছেলে সানাউল্লাহ মন্ডল, হিরাজ সরদারের চেলে কহর আলী সরদার, ইয়ারুল সরদারের ছেলে আলিম সরদার, হালিম মন্ডলের ছেলে আলিম মন্ডল, মোজাম প্রামানিকের ছেলে জিল্লু প্রামানিক ও ইছাহক হোসেন। আহতদের ঈশ্বরদী, পাবনা ও রাজশাহী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম বলেন, জমি সংক্রান্ত ঘটনার জের ধরে এ হত্যা কান্ড ঘটেছে। পুলিশ মরদেহ হেফাজতে নিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।