ঢাকা ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চাটমোহরের কাটেঙ্গা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আর্থিক দূর্নীতির অভিযোগ

বড়াল প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৮:১০:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৩ ১৭৪ বার পঠিত

পাবনার চাটমোহর উপজেলার কাটেঙ্গা দ্বি-মুখি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে আর্থিক দূর্নীতির অভিযোগ করেছেন ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির ৪জন সদস্য। অভিযোগে বলা হয়েছে,প্রধান শিক্ষক ৯ম শ্রেণীর রেজিস্ট্রেশন ফি বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ২১০ টাকার স্থলে ৪০০ টাকা করে আদায় করেছেন। এছাড়া এসএসসি পাশ শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্ড,সনদপত্র ও নম্বরপত্র ভুল সংশোধনের জন্য ৫ হাজার টাকা করে নিয়ে থাকেন। প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক মাহমুদুল হাসান স্বপন প্রকাশ্যে অফিস কক্ষে ধূমপান করেন। এতে করে তোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া আদালতের আদেশ অমান্য করে অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত অফিস সহকারী রাফিউল ইসলামকে স্কুলে হাজির করে প্রতিমাসে ৫ হাজার টাকা করে ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। অভিযোগকারীরা এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপ-পরিচালক.মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর রাজশাহী বরাবার আবেদন করেন। গত মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পাবনা জেলা শিক্ষা অফিসার রোস্তম আলী হেলালী তদন্তে এলে ব্যাপক হাঙ্গামার কারণে তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত করে চলে যান। অভিযোগের তদন্তের দিন ধার্য ছিল মঙ্গলবার। পাবনা জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ রোস্তম আলী হেলালী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মগরেব আলীসহ অন্যদের সাথে নিয়ে কাটেঙ্গা হাইস্কুলে যান তদন্ত কাজে। তাঁরা স্কুলে পৌঁছানো মাত্র স্কুলের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের লোকজন অভিযোগকারীদের উপর হামলা চালিয়ে মারটি করে এবং হাঙ্গামা সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগ। মারপিটে অভিযোগকারী স্কুলের ম্যােিনজিং কমিটির সদস্য রেহেনা খাতুন (৩৫),মনিরুল ইসলাম মনি (২৭) ও আজিদুল (৪০) আহত হন। এদের মধ্যে মনিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না থাকায় জেলা শিক্ষা অফিসার তদন্ত কাজ স্থগিত করে চলে যান।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমান বলেন,আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যে। রেজিস্ট্রেশন ফি সঠিকভাবেই নেওয়া হয়েছে। কারণ কম্পিউটার ফি প্রতি শিক্ষার্থী প্রতি ৬০ টাকাসহ অন্যান্য খরচ আছে। অফিস সহকারীকে কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক সম্মানী ভাতা দেওয়া হয়। অন্যান্য অভিযোগও সঠিক নয় বলে তিনি দাবি করেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মগরেব আলী জানান,তদন্তের কাজে জেলা শিক্ষা অফিসার স্কুলে পৌঁছানোর পর পরই হাঙ্গামা শুরু হয়। পরিস্থিতি অস্বাভাবিক দেখেই তদন্ত স্থগিত করেন তিনি। অভিযোগকারী ও অভিযুক্তদের মধ্যে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়

ট্যাগস :

চাটমোহরের কাটেঙ্গা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আর্থিক দূর্নীতির অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৮:১০:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৩

পাবনার চাটমোহর উপজেলার কাটেঙ্গা দ্বি-মুখি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে আর্থিক দূর্নীতির অভিযোগ করেছেন ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির ৪জন সদস্য। অভিযোগে বলা হয়েছে,প্রধান শিক্ষক ৯ম শ্রেণীর রেজিস্ট্রেশন ফি বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ২১০ টাকার স্থলে ৪০০ টাকা করে আদায় করেছেন। এছাড়া এসএসসি পাশ শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্ড,সনদপত্র ও নম্বরপত্র ভুল সংশোধনের জন্য ৫ হাজার টাকা করে নিয়ে থাকেন। প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক মাহমুদুল হাসান স্বপন প্রকাশ্যে অফিস কক্ষে ধূমপান করেন। এতে করে তোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া আদালতের আদেশ অমান্য করে অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত অফিস সহকারী রাফিউল ইসলামকে স্কুলে হাজির করে প্রতিমাসে ৫ হাজার টাকা করে ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। অভিযোগকারীরা এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপ-পরিচালক.মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর রাজশাহী বরাবার আবেদন করেন। গত মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পাবনা জেলা শিক্ষা অফিসার রোস্তম আলী হেলালী তদন্তে এলে ব্যাপক হাঙ্গামার কারণে তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত করে চলে যান। অভিযোগের তদন্তের দিন ধার্য ছিল মঙ্গলবার। পাবনা জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ রোস্তম আলী হেলালী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মগরেব আলীসহ অন্যদের সাথে নিয়ে কাটেঙ্গা হাইস্কুলে যান তদন্ত কাজে। তাঁরা স্কুলে পৌঁছানো মাত্র স্কুলের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের লোকজন অভিযোগকারীদের উপর হামলা চালিয়ে মারটি করে এবং হাঙ্গামা সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগ। মারপিটে অভিযোগকারী স্কুলের ম্যােিনজিং কমিটির সদস্য রেহেনা খাতুন (৩৫),মনিরুল ইসলাম মনি (২৭) ও আজিদুল (৪০) আহত হন। এদের মধ্যে মনিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না থাকায় জেলা শিক্ষা অফিসার তদন্ত কাজ স্থগিত করে চলে যান।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমান বলেন,আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যে। রেজিস্ট্রেশন ফি সঠিকভাবেই নেওয়া হয়েছে। কারণ কম্পিউটার ফি প্রতি শিক্ষার্থী প্রতি ৬০ টাকাসহ অন্যান্য খরচ আছে। অফিস সহকারীকে কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক সম্মানী ভাতা দেওয়া হয়। অন্যান্য অভিযোগও সঠিক নয় বলে তিনি দাবি করেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মগরেব আলী জানান,তদন্তের কাজে জেলা শিক্ষা অফিসার স্কুলে পৌঁছানোর পর পরই হাঙ্গামা শুরু হয়। পরিস্থিতি অস্বাভাবিক দেখেই তদন্ত স্থগিত করেন তিনি। অভিযোগকারী ও অভিযুক্তদের মধ্যে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়