ঢাকা ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চাটমোহরের বড়াল নদীতে বালু খেকোদের থাবা!

বড়াল প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৬:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ মে ২০২৪ ৫৪ বার পঠিত

পাবনার চাটমোহর উপজেলার বড়াল নদীতে পড়েছে বালু খেকো চক্রের থাবা। উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের ধুলাউড়ি এলাকায় নদীতে ড্রেজার লাগিয়ে পাইপের সাহায্যে বালু তুলে পুকুর ভরাট করা হচ্ছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রকাশ্যে এই অবৈধ কর্মকান্ড চললেও কোন প্রতিকার নেই। প্রশাসনের নীরব ভূমিকা নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এলাকাবাসী জানান,ধুলাউড়ি গ্রামে সৈয়দ আলী ও সবুজ হোসেন গং বড়াল নদীতে ড্রেজার লাগিয়ে বালু উত্তোলন করছেন। এলাকাবাসী এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক,পাবনা বরাবার অভিযোগ করলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে পাউপ জব্দ করেন এবং বালু উত্তোলন বন্ধ করে দেন। কিন্তু একদিন পরেই হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মকবুল হোসেনের মধ্যস্থতায় সৈয়দ আলী গং প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বালু উত্তোলন শুরু করেছেন। এতে করে নদী পাড়ের বড়ি-ঘর হুমকির মুখে পড়েছে। এলাকাবাসী বালু উত্তোলন বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছে। বড়াল রক্ষা আন্দোলন কমিটির সদস্য সচিব ও বাপা’র কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক এস এম মিজানুর রহমান বলেন,বড়াল,গুমানীসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে মাটি ও বালু কাটা হচ্ছে। কিন্তু কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছেনা। এ বিষয়ে বারবার প্রশাসনকে জানিয়েও কোন প্রতিকার মিলছেনা। তিনি অবিলম্বে বালু উত্তোলন বন্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেদুয়ানুল হালিমের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ক্ষুদে বার্তা দিয়েও জবাব মেলেনি।
উল্লেখ্য,দীর্ঘদিন ধরেই চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়াল,নিমাইচড়া,ছাইকোলা ইউনিয়নসহ গুমানী নদী,বরদানগর মাঠসহ বিভিন্ন স্থানে মাটি ও বালুখেকোরা অপ্রতিরোধ্য গতিতে লাখ লাখ টাকার বালু ও মাটি কেটে বিক্রি করছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েও কোন ফল পায়নি এলাকাবাসী। বরং মাটি ও বালুখেকো চক্রটি প্রশাসনের যোগসাজসে আরো অপ্রতিরোধ্য হয়ে পড়েছে।

ট্যাগস :

চাটমোহরের বড়াল নদীতে বালু খেকোদের থাবা!

আপডেট সময় : ০৪:৪৬:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ মে ২০২৪

পাবনার চাটমোহর উপজেলার বড়াল নদীতে পড়েছে বালু খেকো চক্রের থাবা। উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের ধুলাউড়ি এলাকায় নদীতে ড্রেজার লাগিয়ে পাইপের সাহায্যে বালু তুলে পুকুর ভরাট করা হচ্ছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রকাশ্যে এই অবৈধ কর্মকান্ড চললেও কোন প্রতিকার নেই। প্রশাসনের নীরব ভূমিকা নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এলাকাবাসী জানান,ধুলাউড়ি গ্রামে সৈয়দ আলী ও সবুজ হোসেন গং বড়াল নদীতে ড্রেজার লাগিয়ে বালু উত্তোলন করছেন। এলাকাবাসী এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক,পাবনা বরাবার অভিযোগ করলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে পাউপ জব্দ করেন এবং বালু উত্তোলন বন্ধ করে দেন। কিন্তু একদিন পরেই হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মকবুল হোসেনের মধ্যস্থতায় সৈয়দ আলী গং প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বালু উত্তোলন শুরু করেছেন। এতে করে নদী পাড়ের বড়ি-ঘর হুমকির মুখে পড়েছে। এলাকাবাসী বালু উত্তোলন বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছে। বড়াল রক্ষা আন্দোলন কমিটির সদস্য সচিব ও বাপা’র কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক এস এম মিজানুর রহমান বলেন,বড়াল,গুমানীসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে মাটি ও বালু কাটা হচ্ছে। কিন্তু কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছেনা। এ বিষয়ে বারবার প্রশাসনকে জানিয়েও কোন প্রতিকার মিলছেনা। তিনি অবিলম্বে বালু উত্তোলন বন্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেদুয়ানুল হালিমের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ক্ষুদে বার্তা দিয়েও জবাব মেলেনি।
উল্লেখ্য,দীর্ঘদিন ধরেই চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়াল,নিমাইচড়া,ছাইকোলা ইউনিয়নসহ গুমানী নদী,বরদানগর মাঠসহ বিভিন্ন স্থানে মাটি ও বালুখেকোরা অপ্রতিরোধ্য গতিতে লাখ লাখ টাকার বালু ও মাটি কেটে বিক্রি করছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েও কোন ফল পায়নি এলাকাবাসী। বরং মাটি ও বালুখেকো চক্রটি প্রশাসনের যোগসাজসে আরো অপ্রতিরোধ্য হয়ে পড়েছে।