ঢাকা ০১:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চাটমোহরে কম্বাইন্ড হারভেস্টার যন্ত্রের সাহায্যে রোপা ধান কর্তনের উদ্বোধন

বিশেষ প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৬:৩১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৩ ২৫৫ বার পঠিত

পাবনার চাটমোহরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় খরিপ-২ মৌসুমে রোপা আমন (উফশী) ধানের সমলয়ে চাষাবাদ ব্লক প্রদর্শনীতে কম্বাইন্ড হারভেস্টার যন্ত্রের সাহায্যে ধান কর্তনের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃস্পতিবার ( ৯ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের খড়বাড়িয়া গ্রামে সমলয় পদ্ধতিতে রোপন করা বিনা ধান-১৭ কর্তনের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত কৃষক সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেদুয়ানুল হালিম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ও ধান কর্তনের উদ্বোধন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পাবনার উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ডাঃ মোঃ জামাল উদ্দীন। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এ এ মাসুম বিল্লাহ। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাইদুর রহমানের সঞ্চালনায় কৃষক সমাবেশে বক্তব্য দেন,মথুরাপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শাহ আলম,উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মজনু খা ও কৃষক মোঃ মামুনুর রশিদ।
উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে,কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় মথুরাপুর ইউনিয়নের খড়বাড়িয়া এলাকার কৃষকেরা সমলয় পদ্ধতিতে ১৫০ বিঘা জমিতে চাষ করেছেন বিনা ধান-১৭ জাতের রোপা আমন। চাষ পদ্ধতিতে যান্ত্রিকীকরণের পাশাপাশি ব্যবহার করা হয়েছে আধুনিক সকল প্রযুক্তি। সমলয় পদ্ধতিতে রোপণ করা ৫০ একর জমির ধান পেকেছে একসাথে। ধান কাটাও শুরু হলো একসাথে।
কৃষক মামুনুর রশীদ জানান,কৃষি বিভাগ বীজ সরবরাহ থেকে শুরু করে ধান রোপণ ও সার দিয়েছেন প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায়। আজকে ধান কাটা শুরু হলো। কৃষি অফিস কম্বাইন্ড হার্ভেস্টারের মাধ্যমে ধান কেটে দিচ্ছে সরকারি ব্যবস্থাপনায়। যান্ত্রিক পদ্ধতিতে সমলয়ে ধান চাষ কৃষকদের মাঝে দারুণ সাড়া ফেলেছে। ধান কাটার পর একইসাথে সরিষার আবাদ করা হবে। সমলয়ে ধান রোপণ করে সফল হওয়ায় এ গ্রামের ৭৫ জন কৃষক নতুন অভিজ্ঞতায় দারুন উচ্ছ্বসিত।
উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এ এ মাসুম বিল্লাহ বলেন, কৃষকদেরকে যান্ত্রিকীকরণে উৎসাহিত করতে সরকারের এ পদ্ধতিতে সকল আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করায় উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। শ্রমিক সংকট মোকাবেলা করে উৎপাদন খরচ কমানো যায়। সমলয় ধান চাষে এবার ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পাবনার উপ-পরিচালক ডাঃ মোঃ জামাল উদ্দিন বললেন,এ পদ্ধতিতে হেক্টর প্রতি ধানের ফলন ৩ মণ বৃদ্ধি পায়। সরকারের সকল সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে সমলয় চাষাবাদে।

ট্যাগস :

চাটমোহরে কম্বাইন্ড হারভেস্টার যন্ত্রের সাহায্যে রোপা ধান কর্তনের উদ্বোধন

আপডেট সময় : ০৬:৩১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৩

পাবনার চাটমোহরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় খরিপ-২ মৌসুমে রোপা আমন (উফশী) ধানের সমলয়ে চাষাবাদ ব্লক প্রদর্শনীতে কম্বাইন্ড হারভেস্টার যন্ত্রের সাহায্যে ধান কর্তনের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃস্পতিবার ( ৯ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের খড়বাড়িয়া গ্রামে সমলয় পদ্ধতিতে রোপন করা বিনা ধান-১৭ কর্তনের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত কৃষক সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেদুয়ানুল হালিম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ও ধান কর্তনের উদ্বোধন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পাবনার উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ডাঃ মোঃ জামাল উদ্দীন। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এ এ মাসুম বিল্লাহ। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাইদুর রহমানের সঞ্চালনায় কৃষক সমাবেশে বক্তব্য দেন,মথুরাপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শাহ আলম,উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মজনু খা ও কৃষক মোঃ মামুনুর রশিদ।
উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে,কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় মথুরাপুর ইউনিয়নের খড়বাড়িয়া এলাকার কৃষকেরা সমলয় পদ্ধতিতে ১৫০ বিঘা জমিতে চাষ করেছেন বিনা ধান-১৭ জাতের রোপা আমন। চাষ পদ্ধতিতে যান্ত্রিকীকরণের পাশাপাশি ব্যবহার করা হয়েছে আধুনিক সকল প্রযুক্তি। সমলয় পদ্ধতিতে রোপণ করা ৫০ একর জমির ধান পেকেছে একসাথে। ধান কাটাও শুরু হলো একসাথে।
কৃষক মামুনুর রশীদ জানান,কৃষি বিভাগ বীজ সরবরাহ থেকে শুরু করে ধান রোপণ ও সার দিয়েছেন প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায়। আজকে ধান কাটা শুরু হলো। কৃষি অফিস কম্বাইন্ড হার্ভেস্টারের মাধ্যমে ধান কেটে দিচ্ছে সরকারি ব্যবস্থাপনায়। যান্ত্রিক পদ্ধতিতে সমলয়ে ধান চাষ কৃষকদের মাঝে দারুণ সাড়া ফেলেছে। ধান কাটার পর একইসাথে সরিষার আবাদ করা হবে। সমলয়ে ধান রোপণ করে সফল হওয়ায় এ গ্রামের ৭৫ জন কৃষক নতুন অভিজ্ঞতায় দারুন উচ্ছ্বসিত।
উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এ এ মাসুম বিল্লাহ বলেন, কৃষকদেরকে যান্ত্রিকীকরণে উৎসাহিত করতে সরকারের এ পদ্ধতিতে সকল আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করায় উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। শ্রমিক সংকট মোকাবেলা করে উৎপাদন খরচ কমানো যায়। সমলয় ধান চাষে এবার ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পাবনার উপ-পরিচালক ডাঃ মোঃ জামাল উদ্দিন বললেন,এ পদ্ধতিতে হেক্টর প্রতি ধানের ফলন ৩ মণ বৃদ্ধি পায়। সরকারের সকল সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে সমলয় চাষাবাদে।