ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চাটমোহরে কাজ শেষ করেও মজুরী পাননি কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকরা!

বড়াল প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৬:১৬:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৪ ১১৫ বার পঠিত

পাবনার চাটমোহর উপজেলায় হতদরিদ্রদের জন্য কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ শেষ করেও মজুরীর টাকা পাচ্ছেন না শ্রমিকরা। বিধি অনুযায়ী তাদের প্রতি সপ্তাহে মজুরীর টাকা দেওয়ার কথা। মজুরীর টাকা না পাওয়ায় শ্রমিকরা পরিবার পরিজন নিয়ে মাঘের এই শীতে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়স দপ্তরের তথ্যমতে এবার চাটমোহর উপজেলায় ৪৪টি প্রকল্পে হতদরিদ্রদের জন্য কর্মসৃজন কাচে মাটি কাটার কাজ করেন ১ হাজার ৩৩৫ জন নারী ও পুরুষ শ্রমিক। দৈনিক তাদের মজুরী ৪০০ টাকা। সর্দারের মজুরী ৪৫০ টাকা। কাজ শুরু করা হয় গত নভেম্বর মাসে। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে কাজ শেষ হয়েছে।
উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে শ্রমিকেরা রাস্তা,কবরস্থান,ঈদগাহ মাঠসহ বিভিন্ন স্থানে মাটি ভরাটে কাজ করেন।
উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের চরসেনগ্রামের শ্রমিক আব্বাস আলী,আ.ছাত্তারসহ অন্যরা জানান,আগে ৭ দিন পরপর টাকা দেওয়া হতো। এবার ৪০ দিন মাটির কাজ শেষ করেও টাকা পাচ্ছিনা। আমরা এই শীতে চরম দুরাবস্থায় আছি। জানিনা কবে টাকা পাবো। পরিবার পরিজন নিয়ে দুর্মূল্যের বাজারে সংসার চালাতে পারছিনা।
আরেক নারী শ্রমিক আজমেরী বেগম বলেন,মাটি কাটা শেষ হয়েছে,তাও এক টাকাও দেয় নাই। ধার দেনা করে চলতে হচ্ছে। এভাবে আর কতদিন চলবো।
বিলচলন ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আকতার হোসেন জানান,কাজ শেষ করার পর বিল জমা দেওয়া হয়েছে। সাপ্তাহিক কোন মজুরীতো শ্রমিকরা পাননি। কাজ শেষ করার পরও মজুরী দেওয়া হচ্ছেনা। আমরা প্রতিদিনই খোঁজ নিচ্ছি,কিন্তু বিল আসছেনা।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস এম শামীম এহসান দৈনিক ইত্তেফাককে জানান,কমূসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকদের বিল দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। আমরাই প্রথম বিল পাঠিয়েছি। টাকা ছাড় হলে আমরাই প্রথম পাবো। টাকা প্রদানের প্রক্রিয়াি চলছে। দু.চারদিনের মধ্যেই হয়তো শ্রমিকরা মজুরীর টাকা পেয়ে যাবেন।

ট্যাগস :

চাটমোহরে কাজ শেষ করেও মজুরী পাননি কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকরা!

আপডেট সময় : ০৬:১৬:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৪

পাবনার চাটমোহর উপজেলায় হতদরিদ্রদের জন্য কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ শেষ করেও মজুরীর টাকা পাচ্ছেন না শ্রমিকরা। বিধি অনুযায়ী তাদের প্রতি সপ্তাহে মজুরীর টাকা দেওয়ার কথা। মজুরীর টাকা না পাওয়ায় শ্রমিকরা পরিবার পরিজন নিয়ে মাঘের এই শীতে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়স দপ্তরের তথ্যমতে এবার চাটমোহর উপজেলায় ৪৪টি প্রকল্পে হতদরিদ্রদের জন্য কর্মসৃজন কাচে মাটি কাটার কাজ করেন ১ হাজার ৩৩৫ জন নারী ও পুরুষ শ্রমিক। দৈনিক তাদের মজুরী ৪০০ টাকা। সর্দারের মজুরী ৪৫০ টাকা। কাজ শুরু করা হয় গত নভেম্বর মাসে। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে কাজ শেষ হয়েছে।
উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে শ্রমিকেরা রাস্তা,কবরস্থান,ঈদগাহ মাঠসহ বিভিন্ন স্থানে মাটি ভরাটে কাজ করেন।
উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের চরসেনগ্রামের শ্রমিক আব্বাস আলী,আ.ছাত্তারসহ অন্যরা জানান,আগে ৭ দিন পরপর টাকা দেওয়া হতো। এবার ৪০ দিন মাটির কাজ শেষ করেও টাকা পাচ্ছিনা। আমরা এই শীতে চরম দুরাবস্থায় আছি। জানিনা কবে টাকা পাবো। পরিবার পরিজন নিয়ে দুর্মূল্যের বাজারে সংসার চালাতে পারছিনা।
আরেক নারী শ্রমিক আজমেরী বেগম বলেন,মাটি কাটা শেষ হয়েছে,তাও এক টাকাও দেয় নাই। ধার দেনা করে চলতে হচ্ছে। এভাবে আর কতদিন চলবো।
বিলচলন ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আকতার হোসেন জানান,কাজ শেষ করার পর বিল জমা দেওয়া হয়েছে। সাপ্তাহিক কোন মজুরীতো শ্রমিকরা পাননি। কাজ শেষ করার পরও মজুরী দেওয়া হচ্ছেনা। আমরা প্রতিদিনই খোঁজ নিচ্ছি,কিন্তু বিল আসছেনা।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস এম শামীম এহসান দৈনিক ইত্তেফাককে জানান,কমূসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকদের বিল দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। আমরাই প্রথম বিল পাঠিয়েছি। টাকা ছাড় হলে আমরাই প্রথম পাবো। টাকা প্রদানের প্রক্রিয়াি চলছে। দু.চারদিনের মধ্যেই হয়তো শ্রমিকরা মজুরীর টাকা পেয়ে যাবেন।