ঢাকা ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চাটমোহরে ছেলের হাতে মা খুন!

বড়াল প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৩:৪০:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৪ ৫৮ বার পঠিত

পাবনার চাটমোহরে পারিবারিক কলহের জের ধরে ইছামুদ্দিন নামের এক ব্যক্তি দা দিয়ে কুপিয়েছে তার মা-বাবা ও স্ত্রীকে। এলোপাতারী কোপানোর ফলে ঘটনাস্থলেই মারা যান মা ছারেদা খাতুন (৬৫)। গুরুতর আহত হয়েছেন পিতা আঃ সোবাহান মোল্লা (৭০) ও স্ত্রী ডলি খাতুন (২৫)। তাদেরকে মুমূর্ষু অবস্থায় প্রথসে চাটমোহর এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার হান্ডিয়াল ইউনিয়নের স্থল গ্রামে শুক্রবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে। ঘটনার পর থেকে মা হস্তারক ইছামুদ্দিন পলাতক রয়েছেন।
এলাকাবাসী ও নিহত ছারেদা খাতুনের বড় ছেলে সাজিদুল ইসলাম জানান, শুক্রবার রাতে ইছামুদ্দিনের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর ঝগড়া চলছিল। ঝগড়ার একপর্যায়ে ইছামুদ্দিন স্ত্রী ডলি খাতুনের হাতে দা দিয়ে কোপ দেয়। তখন তাঁর মা ও বাবা তাকে নিবৃত করতে এগিয়ে এলে তাদেরকেও দা দিয়ে কোপাতে থাকে। ধারলো দা’র কোপে মা ছারেদা খাতুন ঘটনারস্থলেই মারা যান। গুরুত্বর আহত হয় বাবা আঃ সোবাহান মোল্লা ও স্ত্রী ডলি খাতুন। তাদেরকে রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চাটমোহর থানার ওসি (তদন্ত) নয়ন কুমার সরকার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনারস্থল পরিদর্শন করেছে। শনিবার (৬ জানুয়ারি) সকালে নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক ছেলে ইছামুদ্দিন পলাতক। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ হয়নি। অভিযোগ হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :

চাটমোহরে ছেলের হাতে মা খুন!

আপডেট সময় : ০৩:৪০:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৪

পাবনার চাটমোহরে পারিবারিক কলহের জের ধরে ইছামুদ্দিন নামের এক ব্যক্তি দা দিয়ে কুপিয়েছে তার মা-বাবা ও স্ত্রীকে। এলোপাতারী কোপানোর ফলে ঘটনাস্থলেই মারা যান মা ছারেদা খাতুন (৬৫)। গুরুতর আহত হয়েছেন পিতা আঃ সোবাহান মোল্লা (৭০) ও স্ত্রী ডলি খাতুন (২৫)। তাদেরকে মুমূর্ষু অবস্থায় প্রথসে চাটমোহর এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার হান্ডিয়াল ইউনিয়নের স্থল গ্রামে শুক্রবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে। ঘটনার পর থেকে মা হস্তারক ইছামুদ্দিন পলাতক রয়েছেন।
এলাকাবাসী ও নিহত ছারেদা খাতুনের বড় ছেলে সাজিদুল ইসলাম জানান, শুক্রবার রাতে ইছামুদ্দিনের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর ঝগড়া চলছিল। ঝগড়ার একপর্যায়ে ইছামুদ্দিন স্ত্রী ডলি খাতুনের হাতে দা দিয়ে কোপ দেয়। তখন তাঁর মা ও বাবা তাকে নিবৃত করতে এগিয়ে এলে তাদেরকেও দা দিয়ে কোপাতে থাকে। ধারলো দা’র কোপে মা ছারেদা খাতুন ঘটনারস্থলেই মারা যান। গুরুত্বর আহত হয় বাবা আঃ সোবাহান মোল্লা ও স্ত্রী ডলি খাতুন। তাদেরকে রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চাটমোহর থানার ওসি (তদন্ত) নয়ন কুমার সরকার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনারস্থল পরিদর্শন করেছে। শনিবার (৬ জানুয়ারি) সকালে নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক ছেলে ইছামুদ্দিন পলাতক। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ হয়নি। অভিযোগ হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।