ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চাটমোহরে দু’টি ভোট কেন্দ্রে সংঘর্ষ,বাড়িঘর ভাঙ্চুর,আহত

বড়াল প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৪ ১৪২ বার পঠিত

পাবনা-৩ আসনের চাটমোহর উপজেলার দু’টি ভোট কেন্দ্রে বিচ্ছিন্ন দু’টি ঘটনা ছাড়া সকল ভোট কেন্দ্রে সুষ্ঠু ও শান্দিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। উপজেলার গুনাইগাছঅ ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর সিনিয়র মাদ্রাসা ও পৈলানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের পাশে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া,পাল্টা ধাওয়া,বাড়ি-ঘর ভাঙ্চুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও বিজিবি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামচন্দ্রপুর সিনিয়র মাদ্রাসা বৈাট কেন্দ্রের পাশে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোঃ মকবুল হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আঃ হামিদ মাস্টারের ট্রাক প্রতীকের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া.পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্ততঃ ৫ জন আহত হন। খাইরুল ইসলাম ও আবির হোসেন নামের দুই যুবককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে পৈলানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে গুনাইগাছা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউনুস আলীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙ্চুর করে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা। এরপর দুপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক আঃ ছালাম মাস্টারের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙ্চুর করে নৌকার কর্মী-সমর্থকরা। নেতৃত্ব দেন আওয়ামী লীগ নেতা ইউনুস আলী,মোতালেব মেম্বারসহ অন্যরা। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া.পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানজিনা খাতুনের নেতৃত্বে বিজিবি ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষের লোকজনকে সরিয়ে দেন। ঘটনার সময় উপস্থিত হন পাবনা-৩ এর নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটির প্রধান পাবনা জেলা যুগ্ম ও দায়রা জজ মোঃ তাজউল ইসলাম। ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত পৈলানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

চাটমোহরে দু’টি ভোট কেন্দ্রে সংঘর্ষ,বাড়িঘর ভাঙ্চুর,আহত

আপডেট সময় : ০৪:৩৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৪

পাবনা-৩ আসনের চাটমোহর উপজেলার দু’টি ভোট কেন্দ্রে বিচ্ছিন্ন দু’টি ঘটনা ছাড়া সকল ভোট কেন্দ্রে সুষ্ঠু ও শান্দিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। উপজেলার গুনাইগাছঅ ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর সিনিয়র মাদ্রাসা ও পৈলানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের পাশে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া,পাল্টা ধাওয়া,বাড়ি-ঘর ভাঙ্চুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও বিজিবি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামচন্দ্রপুর সিনিয়র মাদ্রাসা বৈাট কেন্দ্রের পাশে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোঃ মকবুল হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আঃ হামিদ মাস্টারের ট্রাক প্রতীকের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া.পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্ততঃ ৫ জন আহত হন। খাইরুল ইসলাম ও আবির হোসেন নামের দুই যুবককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে পৈলানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে গুনাইগাছা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউনুস আলীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙ্চুর করে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা। এরপর দুপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক আঃ ছালাম মাস্টারের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙ্চুর করে নৌকার কর্মী-সমর্থকরা। নেতৃত্ব দেন আওয়ামী লীগ নেতা ইউনুস আলী,মোতালেব মেম্বারসহ অন্যরা। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া.পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানজিনা খাতুনের নেতৃত্বে বিজিবি ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষের লোকজনকে সরিয়ে দেন। ঘটনার সময় উপস্থিত হন পাবনা-৩ এর নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটির প্রধান পাবনা জেলা যুগ্ম ও দায়রা জজ মোঃ তাজউল ইসলাম। ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত পৈলানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উপস্থিত ছিলেন।