ঢাকা ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চাটমোহরে বালু উত্তোলন বন্ধ,দোষিদের শাস্তির দাবিতে ও প্রশাসনের ভূমিকার প্রতিবাদে মানববন্ধন

বড়াল প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪ ৬৪ বার পঠিত

পাবনার চাটমোহর উপজেলার বড়াল ও গুমানী নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও নিমাইচড়া গাঙ সহ বিভিন্ন স্থানে মাটি কাটা বন্ধ,দোষিদের শাস্তির দাবিতে ও স্থানীয় প্রশাসন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও বড়াল রক্ষা আন্দোলনের আয়োজনে বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদের প্রধান গেটের সামনে ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বাপা’র কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক এস এম মিজানুর রহমান। সাপ্তাহিক সময় অসময় পত্রিকার সম্পাদক কে এম বেলাল হোসেন স্বপনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনচলাকালে বক্তব্য দেন,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ইছাহক আলী মানিক,সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ হেলাল উদ্দিন,উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সাজেদুর রহমান মাস্টার,সাপ্তাহিক চাটমোহর বার্তা সম্পাদক এস এম হাবিবুর রহমান,প্রেসক্লাবের আহবায়ক রকিবুর রহমান টুকুন,ডাঃ জাকির হোসেন,এলডিও’র নির্বাহী পরিচালক নুরে আলস সিদ্দিকী মঞ্জু,আলমগীর মোহাম্মদ,আফজাল হোসেন প্রমুখ।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তারা বলেন,দীর্ঘদিন ধরেই চাটমোহরের বড়াল,গুমানী,চিকনাই নদী থেকে এবং নিমাইচড়া গাঙ থেকে একটি অসাধু গোষ্ঠি মাটি কেটে অবৈধ ইটভাটায় বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এখন নদীতে ড্রেজার লাগিয়ে বালু উত্তোলন করছে। বক্তারা আরো বলেন,এ ব্যাপারে বাপা ও বড়াল রক্ষা আন্দোলনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ করা হয়। এছাড়া বড়াল রক্ষা আন্দোলনের একটি প্রতিনিধি দল ইউএনও রেদুয়ানুল হালিমের সাথে সাক্ষাত করে মাটি কাটা বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানায়। বক্তারা অভিযোগ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাটি কাটা চক্রের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে কোন প্রকার ব্যবস্ধা গ্রহণ করেননি। তার বিশ^স্ত এক ব্যক্তির (যিনি সরকারি কর্মচারি নন) মাধ্যমে সকল কিছু করছেন। বক্তারা বলেন,ইউএনও রেদুয়ানুল হালিমকে চাটমোহরবাসী আর চায় না। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসনসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানান তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেদুয়ানুল হালিম বলেন,মিছিল,মিটিং কিংবা মানববন্ধন করা গণতান্ত্রিক অধিকার। শান্তিপূর্ণভাবে এগুলো হতে পারে। তাদেরকে তো ঢাকায় বলতে হবে যে,তারা এসকল কাজের প্রতিবাদ করছে।তাই মানববন্ধন করেছে তারা।মানববন্ধনে যে অভিযোগ করা হয়েছে,তা সম্পূর্ণ মিথ্যে ও মনগড়া।আমি মাটি কাটার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছি।এ অভিযান অব্যাহত আছে।একটি টিভি চ্যানেলও আমার অভিযানের খবর দিয়েছে।

ট্যাগস :

চাটমোহরে বালু উত্তোলন বন্ধ,দোষিদের শাস্তির দাবিতে ও প্রশাসনের ভূমিকার প্রতিবাদে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৫:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪

পাবনার চাটমোহর উপজেলার বড়াল ও গুমানী নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও নিমাইচড়া গাঙ সহ বিভিন্ন স্থানে মাটি কাটা বন্ধ,দোষিদের শাস্তির দাবিতে ও স্থানীয় প্রশাসন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও বড়াল রক্ষা আন্দোলনের আয়োজনে বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদের প্রধান গেটের সামনে ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বাপা’র কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক এস এম মিজানুর রহমান। সাপ্তাহিক সময় অসময় পত্রিকার সম্পাদক কে এম বেলাল হোসেন স্বপনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনচলাকালে বক্তব্য দেন,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ইছাহক আলী মানিক,সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ হেলাল উদ্দিন,উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সাজেদুর রহমান মাস্টার,সাপ্তাহিক চাটমোহর বার্তা সম্পাদক এস এম হাবিবুর রহমান,প্রেসক্লাবের আহবায়ক রকিবুর রহমান টুকুন,ডাঃ জাকির হোসেন,এলডিও’র নির্বাহী পরিচালক নুরে আলস সিদ্দিকী মঞ্জু,আলমগীর মোহাম্মদ,আফজাল হোসেন প্রমুখ।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তারা বলেন,দীর্ঘদিন ধরেই চাটমোহরের বড়াল,গুমানী,চিকনাই নদী থেকে এবং নিমাইচড়া গাঙ থেকে একটি অসাধু গোষ্ঠি মাটি কেটে অবৈধ ইটভাটায় বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এখন নদীতে ড্রেজার লাগিয়ে বালু উত্তোলন করছে। বক্তারা আরো বলেন,এ ব্যাপারে বাপা ও বড়াল রক্ষা আন্দোলনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ করা হয়। এছাড়া বড়াল রক্ষা আন্দোলনের একটি প্রতিনিধি দল ইউএনও রেদুয়ানুল হালিমের সাথে সাক্ষাত করে মাটি কাটা বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানায়। বক্তারা অভিযোগ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাটি কাটা চক্রের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে কোন প্রকার ব্যবস্ধা গ্রহণ করেননি। তার বিশ^স্ত এক ব্যক্তির (যিনি সরকারি কর্মচারি নন) মাধ্যমে সকল কিছু করছেন। বক্তারা বলেন,ইউএনও রেদুয়ানুল হালিমকে চাটমোহরবাসী আর চায় না। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসনসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানান তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেদুয়ানুল হালিম বলেন,মিছিল,মিটিং কিংবা মানববন্ধন করা গণতান্ত্রিক অধিকার। শান্তিপূর্ণভাবে এগুলো হতে পারে। তাদেরকে তো ঢাকায় বলতে হবে যে,তারা এসকল কাজের প্রতিবাদ করছে।তাই মানববন্ধন করেছে তারা।মানববন্ধনে যে অভিযোগ করা হয়েছে,তা সম্পূর্ণ মিথ্যে ও মনগড়া।আমি মাটি কাটার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছি।এ অভিযান অব্যাহত আছে।একটি টিভি চ্যানেলও আমার অভিযানের খবর দিয়েছে।