ঢাকা ১২:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চাটমোহরে শীতের তীব্রতায় স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত

বড়াল প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৩:২৫:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৪ ৯৭ বার পঠিত

পাবনার চাটমোহরসহ চলনবিল অঞ্চলে বেড়েছে হাড়কাঁপানো শীতের তীব্রতা। পৌষের কনকনে শীত আর শৈত্যপ্রবাহের কারণে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। দিনে সূর্য্যরে দেখা মিলছেনা। দিনের প্রথমভাগে বৃষ্টির মতো গুঁড়ি গুঁড়ি কুয়াশা ঝরছে। হিমেল হাওয়া বইছে,রাতে পড়ছে ঘন কুয়াশা। বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব। শীতের দাপটে কাবু হয়ে পড়েছে নি¤œ আয়ের মানুষ। কুয়াশায় নষ্ট হচ্ছে বোরো ধানের বীজতলা। গত দু’দিন চাটমোহরে সূয্যের দেখা মেলেনি। সড়ক,মহাসড়কে দিনের বেলায় হেডলাইন জ¦ালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৪ ডিগ্রীতে উঠানামা করেছে। মাঝারী শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে জনজীবন। লোকজন দিনের বেলায় খড়কুটো জ¦ালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করে। সর্দি-কাশি,শ^াসকষ্টসহ ঠান্ডাজনিক রোগ বেড়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ এ মাসুমবিল্লাহ বললেন,শীত ও ঘনকুয়াশার কারণে বীজতলার কিছুটা ক্ষতি হতে পারে। কৃষি বিভাগের কর্মীরা বীজতলা রক্ষায় সার্বক্ষনিক কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন।পাবনার ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়া সহকারী মোঃ হেলাল উদ্দিন জানান, পাবনা, ঈশ্বরদী ও চাটমোরে শনিবার সর্বনি¤œ ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। যা এ বছরের সর্ব নি¤œ তাপমাত্র। চাটমোহর সহ জেলার উপর দিয়ে ভারি শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। দিনের ও রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা ৯ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যেই উঠানামা করবে।
এদিকে শীত হতে রক্ষা পেতে পুরোনো গরম কাপড়ের দোকানে ভিড় বেড়েছে। চাটমোহর পুরাতন বাজার,রেলবাজার,ছাইকোলা,হান্ডিয়ালসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে বেড়েছে শীতের কাপড় বিক্রি। বিল অঞ্চলের দরিদ্র মানুষ কম্বলের আশায় বিভিন্ন স্থানে ধর্না দিচ্ছে।
চাটমোহর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়নের ৮ হাজার ৮৪০টি কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস এম শামীম এহসান জানান,শীতের তীব্রতা বেড়েছে। কম্বলের বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :

চাটমোহরে শীতের তীব্রতায় স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত

আপডেট সময় : ০৩:২৫:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৪

পাবনার চাটমোহরসহ চলনবিল অঞ্চলে বেড়েছে হাড়কাঁপানো শীতের তীব্রতা। পৌষের কনকনে শীত আর শৈত্যপ্রবাহের কারণে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। দিনে সূর্য্যরে দেখা মিলছেনা। দিনের প্রথমভাগে বৃষ্টির মতো গুঁড়ি গুঁড়ি কুয়াশা ঝরছে। হিমেল হাওয়া বইছে,রাতে পড়ছে ঘন কুয়াশা। বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব। শীতের দাপটে কাবু হয়ে পড়েছে নি¤œ আয়ের মানুষ। কুয়াশায় নষ্ট হচ্ছে বোরো ধানের বীজতলা। গত দু’দিন চাটমোহরে সূয্যের দেখা মেলেনি। সড়ক,মহাসড়কে দিনের বেলায় হেডলাইন জ¦ালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৪ ডিগ্রীতে উঠানামা করেছে। মাঝারী শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে জনজীবন। লোকজন দিনের বেলায় খড়কুটো জ¦ালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করে। সর্দি-কাশি,শ^াসকষ্টসহ ঠান্ডাজনিক রোগ বেড়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ এ মাসুমবিল্লাহ বললেন,শীত ও ঘনকুয়াশার কারণে বীজতলার কিছুটা ক্ষতি হতে পারে। কৃষি বিভাগের কর্মীরা বীজতলা রক্ষায় সার্বক্ষনিক কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন।পাবনার ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়া সহকারী মোঃ হেলাল উদ্দিন জানান, পাবনা, ঈশ্বরদী ও চাটমোরে শনিবার সর্বনি¤œ ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। যা এ বছরের সর্ব নি¤œ তাপমাত্র। চাটমোহর সহ জেলার উপর দিয়ে ভারি শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। দিনের ও রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা ৯ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যেই উঠানামা করবে।
এদিকে শীত হতে রক্ষা পেতে পুরোনো গরম কাপড়ের দোকানে ভিড় বেড়েছে। চাটমোহর পুরাতন বাজার,রেলবাজার,ছাইকোলা,হান্ডিয়ালসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে বেড়েছে শীতের কাপড় বিক্রি। বিল অঞ্চলের দরিদ্র মানুষ কম্বলের আশায় বিভিন্ন স্থানে ধর্না দিচ্ছে।
চাটমোহর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়নের ৮ হাজার ৮৪০টি কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস এম শামীম এহসান জানান,শীতের তীব্রতা বেড়েছে। কম্বলের বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।