ঢাকা ০৬:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পাবনা-৩ আসনে দলের মনোনয়ন চান চাটমোহর উপজেলা আ.লীগের সভাপতি

বড়াল প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৫:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩ ১৮৪ বার পঠিত

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নিবার্চনে পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান চাটমোহর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম নজরুল ইসলাম। এলাকায় তিনি আওয়ামী লীগের একজন ত্যাগী নেতা হিসেবে পরিচিত। তাঁর শক্ত অবস্থান রয়েছে এই আসনে। নৌকার মাঝি হয়ে তিনি এ আসনটি দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে চান। দলের দুঃসময়ের কান্ডারী এস এম নজরুল ইসলাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হওয়ার পর মাত্র আড়াই বছরেই দলকে করেছেন সুসংগঠিত। দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে সবাই এখন এক কাতারে মাঠে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নৌকা পেতে তিনি চাটমোহর,ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর উপজেলার গ্রাম-গঞ্জে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। নিজ দলের নেতা-কর্মী ছাড়াও এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে তিনি যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে তিনি নিজের অবস্থান জানান দিচ্ছেন। ২০২১ সালে চাটমোহর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে আজ অবধি দলীয় সকল কর্মকান্ড পরিচালনা করার পাশাপাশি দলকে সুসংগঠিত করতে কাজ করছেন। নেতা-কর্মীদের উজ্জীবিত করে রেখেছেন। নৌকার পক্ষে সবাই এখন একাট্টা।
বিএনপি-জামাতের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে তিনি দলের নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে বিক্ষোভ ও শান্তি সমাবেশের নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন। বিএনপি আহুত হরতাল ও অবরোধ চলাকালে তাঁর নেতৃত্বেই হয়েছে একাধিক বিশাল মিছিল ও শান্তি সমাবেশ। ফলে চাটমোহরে ছিলনা হরতাল-অবরোধের ন্যূনতম কোন প্রভাব।
প্রবীণ এই আওয়ামী লীগ নেতা ১৯৬৮ সালে ছাত্রলীগের রাজনীতি দিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম শুরু করেন। এরপর ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭৩ সালে চাটমোহর কলেজে ছাত্রলীগ গঠণ ও নেতৃত্ব দেন। তিনি ১৯৭৭ সালে চাটমোহর থানা যুবলীগের আহবায়ক হন,১৯৭৮ সালে থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হন,১৮৮৩ সালে থানা যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক,১৯৯১ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৯৭ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২১ সালের জুন মাসে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান। এখন পর্যন্ত তিনি সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠণের সাথে জড়িত আছেন। আওয়ামী লীগের সকল আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং এখনও দিয়ে চলেছেন।
আওয়ামী লীগ সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম বলেন,দীর্ঘ ৪ যুগেরও বেশি সময় ধরে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এসময় তাঁকে জেল-জুলুম সহ্য করতে হয়েছে। ক্ষমতার লোভে কখনও দল বদল করেননি। নৌকার বাইরে যাওয়ার দুৎসাহসও দেখাননি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,দলীয় সভানেত্রী,জননেত্রী শেখ হাসিনা যখন যে নির্দেশনা দিয়েছেন সেটি বাস্তবায়নে সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও তিনি তাই করবেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তাঁকে দলীয় মনোনয়ন দিলে এলাকার উন্নয়নে তিনি কাজ করবেন।

ট্যাগস :

পাবনা-৩ আসনে দলের মনোনয়ন চান চাটমোহর উপজেলা আ.লীগের সভাপতি

আপডেট সময় : ০৪:৩৫:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নিবার্চনে পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান চাটমোহর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম নজরুল ইসলাম। এলাকায় তিনি আওয়ামী লীগের একজন ত্যাগী নেতা হিসেবে পরিচিত। তাঁর শক্ত অবস্থান রয়েছে এই আসনে। নৌকার মাঝি হয়ে তিনি এ আসনটি দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে চান। দলের দুঃসময়ের কান্ডারী এস এম নজরুল ইসলাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হওয়ার পর মাত্র আড়াই বছরেই দলকে করেছেন সুসংগঠিত। দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে সবাই এখন এক কাতারে মাঠে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নৌকা পেতে তিনি চাটমোহর,ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর উপজেলার গ্রাম-গঞ্জে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। নিজ দলের নেতা-কর্মী ছাড়াও এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে তিনি যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে তিনি নিজের অবস্থান জানান দিচ্ছেন। ২০২১ সালে চাটমোহর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে আজ অবধি দলীয় সকল কর্মকান্ড পরিচালনা করার পাশাপাশি দলকে সুসংগঠিত করতে কাজ করছেন। নেতা-কর্মীদের উজ্জীবিত করে রেখেছেন। নৌকার পক্ষে সবাই এখন একাট্টা।
বিএনপি-জামাতের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে তিনি দলের নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে বিক্ষোভ ও শান্তি সমাবেশের নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন। বিএনপি আহুত হরতাল ও অবরোধ চলাকালে তাঁর নেতৃত্বেই হয়েছে একাধিক বিশাল মিছিল ও শান্তি সমাবেশ। ফলে চাটমোহরে ছিলনা হরতাল-অবরোধের ন্যূনতম কোন প্রভাব।
প্রবীণ এই আওয়ামী লীগ নেতা ১৯৬৮ সালে ছাত্রলীগের রাজনীতি দিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম শুরু করেন। এরপর ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭৩ সালে চাটমোহর কলেজে ছাত্রলীগ গঠণ ও নেতৃত্ব দেন। তিনি ১৯৭৭ সালে চাটমোহর থানা যুবলীগের আহবায়ক হন,১৯৭৮ সালে থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হন,১৮৮৩ সালে থানা যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক,১৯৯১ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৯৭ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২১ সালের জুন মাসে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান। এখন পর্যন্ত তিনি সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠণের সাথে জড়িত আছেন। আওয়ামী লীগের সকল আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং এখনও দিয়ে চলেছেন।
আওয়ামী লীগ সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম বলেন,দীর্ঘ ৪ যুগেরও বেশি সময় ধরে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এসময় তাঁকে জেল-জুলুম সহ্য করতে হয়েছে। ক্ষমতার লোভে কখনও দল বদল করেননি। নৌকার বাইরে যাওয়ার দুৎসাহসও দেখাননি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,দলীয় সভানেত্রী,জননেত্রী শেখ হাসিনা যখন যে নির্দেশনা দিয়েছেন সেটি বাস্তবায়নে সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও তিনি তাই করবেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তাঁকে দলীয় মনোনয়ন দিলে এলাকার উন্নয়নে তিনি কাজ করবেন।