ঢাকা ০৭:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বড়াইগ্রামে মাছের সাথে শত্রুতা!

বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৫৯:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ মে ২০২৪ ২৯ বার পঠিত

নাটোরের বড়াইগ্রামে শত্রুতা:বশত কীটনাশক (বিষ) দিয়ে পুকুরের মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার আদালতে মামলা দায়ের করেছেন ক্ষতিগ্রস্থ মাছ চাষী। এর আগে রোববার বিকালে উপজেলার বড়াইগ্রাম সদর ইউনিয়নের মাড়িয়া বিলে এ ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী মইনুল হক জানান, তিনি মাড়িয়া চাপড়া বিলে তিন বিঘা জলকরের একটি পুকুর লিজ নিয়ে মাছ চাষ করেন। কিন্তু মালিক পক্ষের ওয়ারিশদের মধ্যে পুকুরের স্বত্ত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকায় একাধিকবার সালিশ বৈঠক হয়েছে। সম্প্রতি লিজের মেয়াদ থাকতেই পুকুরের একাংশের মালিক আফাজ উদ্দিন ও তার ছেলে পুকুর ছেড়ে দিতে চাপ দিলেও তিনি নির্ধারিত সময়ের আগে তা ছাড়তে রাজি হননি। রোববার বিকালে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে তিনি পুকুরে গিয়ে সব মাছ মরে পানিতে ভাসতে দেখেন। এ সময় পুকুর পাড়ে কীটনাশকের প্যাকেটসহ অন্যান্য আলামত পড়ে থাকতে দেখা যায়। এ ঘটনায় তার কমপক্ষে ১০ লাখ টাকার মাছ মরে গেছে বলে দাবি করেন তিনি। এ ব্যাপারে তিনি মাড়িয়া গ্রামের আফাজ উদ্দিন আপাল ও তার ছেলে আমিরুল ইসলাম শামীমকে আসামী করে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, ঘটনার আগে শামীমকে পুকুরের আশপাশ দিয়ে ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেছে। তবে অভিযুক্ত আমিরুল ইসলাম শামীম পুকুর নিয়ে দ্বন্দ্বের বিষয়টি স্বীকার করলেও মাছ নিধনের বিষয়ে কোন কথা বলতে রাজি হননি।
এ ব্যাপারে বড়াইগ্রাম থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সরল মুরমু জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :

বড়াইগ্রামে মাছের সাথে শত্রুতা!

আপডেট সময় : ১২:৫৯:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ মে ২০২৪

নাটোরের বড়াইগ্রামে শত্রুতা:বশত কীটনাশক (বিষ) দিয়ে পুকুরের মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার আদালতে মামলা দায়ের করেছেন ক্ষতিগ্রস্থ মাছ চাষী। এর আগে রোববার বিকালে উপজেলার বড়াইগ্রাম সদর ইউনিয়নের মাড়িয়া বিলে এ ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী মইনুল হক জানান, তিনি মাড়িয়া চাপড়া বিলে তিন বিঘা জলকরের একটি পুকুর লিজ নিয়ে মাছ চাষ করেন। কিন্তু মালিক পক্ষের ওয়ারিশদের মধ্যে পুকুরের স্বত্ত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকায় একাধিকবার সালিশ বৈঠক হয়েছে। সম্প্রতি লিজের মেয়াদ থাকতেই পুকুরের একাংশের মালিক আফাজ উদ্দিন ও তার ছেলে পুকুর ছেড়ে দিতে চাপ দিলেও তিনি নির্ধারিত সময়ের আগে তা ছাড়তে রাজি হননি। রোববার বিকালে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে তিনি পুকুরে গিয়ে সব মাছ মরে পানিতে ভাসতে দেখেন। এ সময় পুকুর পাড়ে কীটনাশকের প্যাকেটসহ অন্যান্য আলামত পড়ে থাকতে দেখা যায়। এ ঘটনায় তার কমপক্ষে ১০ লাখ টাকার মাছ মরে গেছে বলে দাবি করেন তিনি। এ ব্যাপারে তিনি মাড়িয়া গ্রামের আফাজ উদ্দিন আপাল ও তার ছেলে আমিরুল ইসলাম শামীমকে আসামী করে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, ঘটনার আগে শামীমকে পুকুরের আশপাশ দিয়ে ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেছে। তবে অভিযুক্ত আমিরুল ইসলাম শামীম পুকুর নিয়ে দ্বন্দ্বের বিষয়টি স্বীকার করলেও মাছ নিধনের বিষয়ে কোন কথা বলতে রাজি হননি।
এ ব্যাপারে বড়াইগ্রাম থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সরল মুরমু জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।