ঢাকা ১১:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কনকনে শীত আর শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

বড়াল প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৩:২৮:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৪ ১৪৫ বার পঠিত

পৌষের কনকনে শীত আর শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চাটমোহরসহ চলনবিল অঞ্চলের জনজীবন। দিনে সূর্য্যরে দেখা মিলছেনা। হিমেল হাওয়া বইছে,রাতে পড়ছে ঘন কুয়াশা। বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব। শীতের দাপটে কাবু হয়ে পড়েছে নি¤œ আয়ের মানুষ। কুয়াশায় নষ্ট হচ্ছে বোরো ধানের বীজতলা। শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) চাটমোহরে সূয্যের দেখা মেলেনি। তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৪ ডিগ্রীতে উঠানামা করেছে। মাঝারী শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে জনজীবন। লোকজন দিনের বেলায় খড়কুটো জ¦ালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করে। চা স্টলগুলোতে ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সর্দি-কাশি,শ^াসকষ্টসহ ঠান্ডাজনিক রোগ বেড়েছে। ফুটপাতের গরম কাপড়ের দোকানে ভিড় বেড়েছে।
চা দোকানী বাউল মন্ডল জানান,অন্য যেকোন দিনের চেয়ে আজকে (শুক্রবার) চার গুণ চা বিক্রি হচ্ছে। পুরাতন বাজারের শীতের গরম কাপড় বিক্রেতা আয়নাল হোসেন জানালেন,বেশ কয়েকদিন পরে আজকে শীতের কাপড় বেশি বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবারে দোকান খুলতে হয়েছে শীতের কারণে।
চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডাঃ ওমর ফারুক বুলবুল বলেন,শীতের কারণে ডায়রিয়া,সর্দি-কাশি ও নিউমোনিয়া রোগের দেখা দিয়েছে। হাসপাতালে সার্বক্ষনিক সেবা দেওয়া হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ এ মাসুমবিল্লাহ বললেন,তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় ও ঘনকুয়াশার কারণে বীজতলার কিছুটা ক্ষতি হতে পারে। কৃষি বিভাগের কর্মীরা সার্বক্ষনিক কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন।

ট্যাগস :

কনকনে শীত আর শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

আপডেট সময় : ০৩:২৮:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৪

পৌষের কনকনে শীত আর শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চাটমোহরসহ চলনবিল অঞ্চলের জনজীবন। দিনে সূর্য্যরে দেখা মিলছেনা। হিমেল হাওয়া বইছে,রাতে পড়ছে ঘন কুয়াশা। বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব। শীতের দাপটে কাবু হয়ে পড়েছে নি¤œ আয়ের মানুষ। কুয়াশায় নষ্ট হচ্ছে বোরো ধানের বীজতলা। শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) চাটমোহরে সূয্যের দেখা মেলেনি। তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৪ ডিগ্রীতে উঠানামা করেছে। মাঝারী শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে জনজীবন। লোকজন দিনের বেলায় খড়কুটো জ¦ালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করে। চা স্টলগুলোতে ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সর্দি-কাশি,শ^াসকষ্টসহ ঠান্ডাজনিক রোগ বেড়েছে। ফুটপাতের গরম কাপড়ের দোকানে ভিড় বেড়েছে।
চা দোকানী বাউল মন্ডল জানান,অন্য যেকোন দিনের চেয়ে আজকে (শুক্রবার) চার গুণ চা বিক্রি হচ্ছে। পুরাতন বাজারের শীতের গরম কাপড় বিক্রেতা আয়নাল হোসেন জানালেন,বেশ কয়েকদিন পরে আজকে শীতের কাপড় বেশি বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবারে দোকান খুলতে হয়েছে শীতের কারণে।
চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডাঃ ওমর ফারুক বুলবুল বলেন,শীতের কারণে ডায়রিয়া,সর্দি-কাশি ও নিউমোনিয়া রোগের দেখা দিয়েছে। হাসপাতালে সার্বক্ষনিক সেবা দেওয়া হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ এ মাসুমবিল্লাহ বললেন,তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় ও ঘনকুয়াশার কারণে বীজতলার কিছুটা ক্ষতি হতে পারে। কৃষি বিভাগের কর্মীরা সার্বক্ষনিক কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন।