ঢাকা ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo আটঘরিয়ায় জলাবদ্ধতা নিরসনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Logo চাটমোহরে সার মজুত করে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ Logo পাবনায় শিশু কলি হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত Logo চাটমোহরে দিনমজুর হত্যা মামলায় নিরীহ ব্যক্তিদের জড়ানোর প্রতিবাদে গ্রামবাসীর মানববন্ধন ও প্রতিবাদ Logo র‍্যাব বিলুপ্ত হয়ে নতুন নামে যাত্রা শুরু Logo নিখোঁজের সাতদিন পর ডোবায় মিলল শিশু কলির বস্তাবন্দি মরদেহ; পরিবারের দাবি হত্যা Logo ধর্ষণের শিকার পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী Logo চাটমোহরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত Logo দুই শিক্ষার্থী অপহরণ চক্রের ৮ সদস্য গ্রেফতার,উদ্ধার দুই কলেজ শিক্ষার্থী Logo ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৭ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি দেড় হাজারের বেশি

চাটমোহরে কৃষিশ্রমিক সংকটে দুশ্চিন্তায় কৃষক, এখনো সরকারিভাবে ধান সংগ্রহ শুরু হয়নি

আমাদের বড়াল ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:০১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬ ১৭৪ বার পঠিত
236

পাবনার চাটমোহর পাকা আর আধা পাকা ধান নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষক। কৃষিশ্রমিক সংকটে পড়েছেন তারা। সাথে ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা। এরমধ্যেই বিল থেকে বোরো ধান কেটে তুলছেন চাষিরা। ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। ধানের বাম্পার ফলন হলেও বাজারে দাম মিলছেনা। কম দামে ধান বিক্রি করেই কৃষিশ্রমিকের মজুরী মেটাতে হচ্ছে। এই উপজেলাতে এখনো সরকারিভাবে ধান সংগ্রহ শুরু হয়নি।
উপজেলাজুড়ে আগাম জাতের বোরো ধান কাটার ধুম পড়েছে। ধানকাটা কৃষিশ্রমিকের দৈনিক মজুরি বেড়ে দাঁড়িয়ে ১০০০ টাকা পর্যন্ত। আর বর্তমানে বাজারে ধান বিক্রি হচ্ছে প্রতিমণ ১ হাজার থেকে ১১শ’ টাকায়। ফলে কৃষকের লোকসানের মুখে পড়েছেন।
এদিকে সরকারিভাবে ধান সংগ্রহ গত ৩ মে থেক শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত ধান সংগ্রহ শুরু হয়নি। সরকার প্রতিমণ ধানের দাম ১ হাজার ৪৪০ টাকা নির্ধারণ করেছে। যা বর্তমান বাজার দরের চেয়ে বেশি। সুযোগ নিচ্ছেন মধ্যস্বত্বভোগি ফরিয়ারা। তারা কৃষকের কাছ থেকে কম দামে ধান কিনে মজুত করছে। খাদ্যগুমে তারা নানা কৌশলে ধান সরবরাহ করবে। ফলে কৃষক সরকারি সুবিধা না পেয়ে লোকসানে পড়বেন।
স্থানীয় কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,উপজেলায় বর্তমানে আগাম বোরো কাটার মৌসুম চলছে। তবে কয়েকদিনের মধ্যে পুরোদমে শুরু হবে ধান কাটা ও মাড়াই। বৈশাখের প্রখর রোদের পাশাপাশি কয়েকদিন বৃষ্টি হওয়ায় কৃষকের মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে। খেতের পাকা ধান কাটা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা। আর এই সুযোগে ধানকাটা শ্রমিকের দৈনিক মজুরি বেড়ে গেছে। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন আর মাঝে মধ্যে বৃষ্টি হওয়ায় ধানখেতের দূরত্ব আর খেতে জমে থাকা পানির ওপর ভিত্তি করে শ্রমিক তাদের মজুরি বাড়িয়ে দিয়েছে। নিরুপায় কৃষকরা তাদের ধান ঘরে তুলতে বেশি মজুরী দিয়ে শ্রমিক নিতে বাধ্য হচ্ছেন।
চাটমোহর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আলাওল কবির জানান,মিটিং হয়েছে,ধান কেনা শুরু হয়েছে। কৃষক ধান দিলেই আমরা নেবা। এ উপজেলায় এবার ১০০৭ মেট্রিব টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অ্যাপসের মাধ্যমে অথবা আগে আসলে আগে নেবো ভিত্তিতে প্রকৃত কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করা হবে। কৃষি অফিস থেকে যে তালিকা দেওয়া হচ্ছে,সে মেতাবেক ধান নেওয়া হবে। প্রকৃত কৃষকের কাছ থেকেই ধান সংগ্রহ করা হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কৃন্তলঅ ঘোষ বলেন,এ বছর উপজেলায় ৯ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষাবাদ করা হয়েছে। আশা করা যায় ধানের বাম্পার ফলন হবে।

ট্যাগস :

চাটমোহরে কৃষিশ্রমিক সংকটে দুশ্চিন্তায় কৃষক, এখনো সরকারিভাবে ধান সংগ্রহ শুরু হয়নি

আপডেট সময় : ০৪:০১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
236

পাবনার চাটমোহর পাকা আর আধা পাকা ধান নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষক। কৃষিশ্রমিক সংকটে পড়েছেন তারা। সাথে ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা। এরমধ্যেই বিল থেকে বোরো ধান কেটে তুলছেন চাষিরা। ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। ধানের বাম্পার ফলন হলেও বাজারে দাম মিলছেনা। কম দামে ধান বিক্রি করেই কৃষিশ্রমিকের মজুরী মেটাতে হচ্ছে। এই উপজেলাতে এখনো সরকারিভাবে ধান সংগ্রহ শুরু হয়নি।
উপজেলাজুড়ে আগাম জাতের বোরো ধান কাটার ধুম পড়েছে। ধানকাটা কৃষিশ্রমিকের দৈনিক মজুরি বেড়ে দাঁড়িয়ে ১০০০ টাকা পর্যন্ত। আর বর্তমানে বাজারে ধান বিক্রি হচ্ছে প্রতিমণ ১ হাজার থেকে ১১শ’ টাকায়। ফলে কৃষকের লোকসানের মুখে পড়েছেন।
এদিকে সরকারিভাবে ধান সংগ্রহ গত ৩ মে থেক শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত ধান সংগ্রহ শুরু হয়নি। সরকার প্রতিমণ ধানের দাম ১ হাজার ৪৪০ টাকা নির্ধারণ করেছে। যা বর্তমান বাজার দরের চেয়ে বেশি। সুযোগ নিচ্ছেন মধ্যস্বত্বভোগি ফরিয়ারা। তারা কৃষকের কাছ থেকে কম দামে ধান কিনে মজুত করছে। খাদ্যগুমে তারা নানা কৌশলে ধান সরবরাহ করবে। ফলে কৃষক সরকারি সুবিধা না পেয়ে লোকসানে পড়বেন।
স্থানীয় কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,উপজেলায় বর্তমানে আগাম বোরো কাটার মৌসুম চলছে। তবে কয়েকদিনের মধ্যে পুরোদমে শুরু হবে ধান কাটা ও মাড়াই। বৈশাখের প্রখর রোদের পাশাপাশি কয়েকদিন বৃষ্টি হওয়ায় কৃষকের মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে। খেতের পাকা ধান কাটা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা। আর এই সুযোগে ধানকাটা শ্রমিকের দৈনিক মজুরি বেড়ে গেছে। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন আর মাঝে মধ্যে বৃষ্টি হওয়ায় ধানখেতের দূরত্ব আর খেতে জমে থাকা পানির ওপর ভিত্তি করে শ্রমিক তাদের মজুরি বাড়িয়ে দিয়েছে। নিরুপায় কৃষকরা তাদের ধান ঘরে তুলতে বেশি মজুরী দিয়ে শ্রমিক নিতে বাধ্য হচ্ছেন।
চাটমোহর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আলাওল কবির জানান,মিটিং হয়েছে,ধান কেনা শুরু হয়েছে। কৃষক ধান দিলেই আমরা নেবা। এ উপজেলায় এবার ১০০৭ মেট্রিব টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অ্যাপসের মাধ্যমে অথবা আগে আসলে আগে নেবো ভিত্তিতে প্রকৃত কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করা হবে। কৃষি অফিস থেকে যে তালিকা দেওয়া হচ্ছে,সে মেতাবেক ধান নেওয়া হবে। প্রকৃত কৃষকের কাছ থেকেই ধান সংগ্রহ করা হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কৃন্তলঅ ঘোষ বলেন,এ বছর উপজেলায় ৯ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষাবাদ করা হয়েছে। আশা করা যায় ধানের বাম্পার ফলন হবে।