ঢাকা ০২:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo দীর্ঘদিনের পথচলার স্বীকৃতি: নিবন্ধিত হলো ‘হৃদস্পন্দন ফাউন্ডেশন’ Logo বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল জব্বার আর নেই Logo মাদকসহ অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর মানববন্ধন Logo পাবনায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ Logo ঈশ্বরদীতে নির্মিত হবে নতুন হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ঃ রেল সচিব Logo বর্নাঢ্য আয়োজনে চাটমোহর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দিনব্যাপী পুণর্মিলনী উৎসব Logo চাটমোহরে অবৈধভাবে মজুত ১১৪ বস্তা সার জব্দ Logo ভাঙ্গুড়ায় রোজিনা হত্যার অভিযোগ, বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন Logo চাটমোহরে শারদীয় পুনর্মিলনী ও প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণ Logo চাটমোহরের শীর্ষ তিন কর্মকর্তা বদলী

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৭ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি দেড় হাজারের বেশি

আমাদের বড়াল ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৬:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬ ২১৪ বার পঠিত
370

দেশে আবারও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে হাম পরিস্থিতি। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক হাজারের বেশি শিশু। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য বলছে, মার্চের মাঝামাঝি থেকে শুরু হওয়া এই সংক্রমণে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ৪৮৮ জনে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম প্রকাশিত নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার (২০ মে) সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে এই মৃত্যুর ঘটনাগুলো ঘটে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মারা যাওয়া ৭ শিশুর মধ্যে ৩ জন নিশ্চিত হাম আক্রান্ত ছিল। বাকি ৪ জনের শরীরে হামের উপসর্গ ছিল। একই সময়ে সারা দেশে আরও ১ হাজার ৪২৩ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। আর নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ২০৮ জনের।
প্রতিবেদন বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে ২১ মে পর্যন্ত দেশে মোট ৫৯ হাজার ২৭৯ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ২৭৫ জন। এই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪৬ হাজার ৪০৭ শিশু। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪২ হাজার ৩৩৬ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৪০৫ শিশু। আর নিশ্চিত হামে প্রাণ হারিয়েছে ৮৩ শিশু। সব মিলিয়ে মোট মৃত্যু পৌঁছেছে ৪৮৮ জনে। চলতি বছর ২৬ এপ্রিল দেশে একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড হয়েছিল। ওই দিন ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল ১ হাজার ৫৬৪ শিশু। সর্বশেষ পরিস্থিতি সেই উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদান কার্যক্রম জোরদার না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় অভিভাবকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগস :

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৭ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি দেড় হাজারের বেশি

আপডেট সময় : ০৫:৫৬:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
370

দেশে আবারও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে হাম পরিস্থিতি। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক হাজারের বেশি শিশু। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য বলছে, মার্চের মাঝামাঝি থেকে শুরু হওয়া এই সংক্রমণে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ৪৮৮ জনে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম প্রকাশিত নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার (২০ মে) সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে এই মৃত্যুর ঘটনাগুলো ঘটে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মারা যাওয়া ৭ শিশুর মধ্যে ৩ জন নিশ্চিত হাম আক্রান্ত ছিল। বাকি ৪ জনের শরীরে হামের উপসর্গ ছিল। একই সময়ে সারা দেশে আরও ১ হাজার ৪২৩ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। আর নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ২০৮ জনের।
প্রতিবেদন বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে ২১ মে পর্যন্ত দেশে মোট ৫৯ হাজার ২৭৯ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ২৭৫ জন। এই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪৬ হাজার ৪০৭ শিশু। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪২ হাজার ৩৩৬ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৪০৫ শিশু। আর নিশ্চিত হামে প্রাণ হারিয়েছে ৮৩ শিশু। সব মিলিয়ে মোট মৃত্যু পৌঁছেছে ৪৮৮ জনে। চলতি বছর ২৬ এপ্রিল দেশে একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড হয়েছিল। ওই দিন ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল ১ হাজার ৫৬৪ শিশু। সর্বশেষ পরিস্থিতি সেই উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদান কার্যক্রম জোরদার না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় অভিভাবকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।