ঢাকা ০৫:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo আটঘরিয়ায় জলাবদ্ধতা নিরসনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Logo চাটমোহরে সার মজুত করে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ Logo পাবনায় শিশু কলি হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত Logo চাটমোহরে দিনমজুর হত্যা মামলায় নিরীহ ব্যক্তিদের জড়ানোর প্রতিবাদে গ্রামবাসীর মানববন্ধন ও প্রতিবাদ Logo র‍্যাব বিলুপ্ত হয়ে নতুন নামে যাত্রা শুরু Logo নিখোঁজের সাতদিন পর ডোবায় মিলল শিশু কলির বস্তাবন্দি মরদেহ; পরিবারের দাবি হত্যা Logo ধর্ষণের শিকার পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী Logo চাটমোহরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত Logo দুই শিক্ষার্থী অপহরণ চক্রের ৮ সদস্য গ্রেফতার,উদ্ধার দুই কলেজ শিক্ষার্থী Logo ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৭ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি দেড় হাজারের বেশি

চাটমোহরে মানা হচ্ছেনা সরকারি মূল্যবিধি

বড়াল প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৪:০৮:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৯৭ বার পঠিত
72

পাবনার চাটমোহর উপজেলার হাটবাজারগুলোতে সরকারি মূল্যবিধি মানা হচ্ছেনা। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে নিত্যপণ্য। নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে প্রশাসনের কোন নজরদারি না থাকায় সরকারের বেঁধে দেয়া সীমার চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে আলু,ডিম,পেঁয়াজসহ প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্য। অতি প্রয়োজনীয় এই পণ্যগুলোর দাম নিয়ন্ত্রণে এখনই পাইকারি ও খুচরা বাজারে অভিযান চান সাধারন ভোক্তারা। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিশেষ করে পেঁয়াজ,আলু ও ডিমের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার দাম বেঁধে দিলেও অসাধু ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত মুনাফার আশায় প্রায় কেজি প্রতি ১৫-২০ টাকা বেশিতে বিক্রি করছে আলু। এছাড়া বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে ডিমসহ অন্যান্য মৌসুমী সবজি। প্রতি কেজি আলু ৩৮ টাকা দরে আমাদের কিনতে হচ্ছে,এর সঙ্গে পরিবহন খরচ,পচন এগুলো যোগ করে আমরা খুচরা ব্যবসায়ীদের নিকট কেজি প্রতি ৪০-৪১ দরে বিক্রি করছি আলু। একথা জানিয়েছেন পাইকারি আলু ব্যবসায়ীরা। পাইকারি পর্যায়ে আলুর দাম না কমলে খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন খুচরা বিক্রেতারা।
সরেজমিনে শুক্রবার সকালে উপজেলার কয়েকটি বাজারে গিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এই কথা বলে জানতে পেরেছেন,কেজি প্রতি আলু বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা,আমদানীকৃত পেয়াঁজ ৬৫ টাকা, দেশি পেয়াঁজ ৮০ টাকা এবং ডিম ১২-১৩ টাকা,ব্রয়লার মুরগী ১৬০ টাকা। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে পেয়াঁজ কোন কোন ক্ষেত্রে ২০ টাকা,আলু ১০-১৫ টাকা ও ডিম ১ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ভ্যান সাহাদত হোসেন বলেন,‘অতিরিক্ত দাম দিয়ে পণ্য কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। দাম বেড়ে যাওয়ায় চাহিদা থাকা সত্বেও আমাদের স্বল্প পরিমাণে কিনতে হচ্ছে। সরকারের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও এসব পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির কারণ কি? তাই স্থানীয় প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকারের উচিত এখনই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া।’

ট্যাগস :

চাটমোহরে মানা হচ্ছেনা সরকারি মূল্যবিধি

আপডেট সময় : ০৪:০৮:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩
72

পাবনার চাটমোহর উপজেলার হাটবাজারগুলোতে সরকারি মূল্যবিধি মানা হচ্ছেনা। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে নিত্যপণ্য। নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে প্রশাসনের কোন নজরদারি না থাকায় সরকারের বেঁধে দেয়া সীমার চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে আলু,ডিম,পেঁয়াজসহ প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্য। অতি প্রয়োজনীয় এই পণ্যগুলোর দাম নিয়ন্ত্রণে এখনই পাইকারি ও খুচরা বাজারে অভিযান চান সাধারন ভোক্তারা। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিশেষ করে পেঁয়াজ,আলু ও ডিমের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার দাম বেঁধে দিলেও অসাধু ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত মুনাফার আশায় প্রায় কেজি প্রতি ১৫-২০ টাকা বেশিতে বিক্রি করছে আলু। এছাড়া বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে ডিমসহ অন্যান্য মৌসুমী সবজি। প্রতি কেজি আলু ৩৮ টাকা দরে আমাদের কিনতে হচ্ছে,এর সঙ্গে পরিবহন খরচ,পচন এগুলো যোগ করে আমরা খুচরা ব্যবসায়ীদের নিকট কেজি প্রতি ৪০-৪১ দরে বিক্রি করছি আলু। একথা জানিয়েছেন পাইকারি আলু ব্যবসায়ীরা। পাইকারি পর্যায়ে আলুর দাম না কমলে খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন খুচরা বিক্রেতারা।
সরেজমিনে শুক্রবার সকালে উপজেলার কয়েকটি বাজারে গিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এই কথা বলে জানতে পেরেছেন,কেজি প্রতি আলু বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা,আমদানীকৃত পেয়াঁজ ৬৫ টাকা, দেশি পেয়াঁজ ৮০ টাকা এবং ডিম ১২-১৩ টাকা,ব্রয়লার মুরগী ১৬০ টাকা। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে পেয়াঁজ কোন কোন ক্ষেত্রে ২০ টাকা,আলু ১০-১৫ টাকা ও ডিম ১ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ভ্যান সাহাদত হোসেন বলেন,‘অতিরিক্ত দাম দিয়ে পণ্য কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। দাম বেড়ে যাওয়ায় চাহিদা থাকা সত্বেও আমাদের স্বল্প পরিমাণে কিনতে হচ্ছে। সরকারের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও এসব পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির কারণ কি? তাই স্থানীয় প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকারের উচিত এখনই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া।’