ঢাকা ০৫:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo আটঘরিয়ায় জলাবদ্ধতা নিরসনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Logo চাটমোহরে সার মজুত করে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ Logo পাবনায় শিশু কলি হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত Logo চাটমোহরে দিনমজুর হত্যা মামলায় নিরীহ ব্যক্তিদের জড়ানোর প্রতিবাদে গ্রামবাসীর মানববন্ধন ও প্রতিবাদ Logo র‍্যাব বিলুপ্ত হয়ে নতুন নামে যাত্রা শুরু Logo নিখোঁজের সাতদিন পর ডোবায় মিলল শিশু কলির বস্তাবন্দি মরদেহ; পরিবারের দাবি হত্যা Logo ধর্ষণের শিকার পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী Logo চাটমোহরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত Logo দুই শিক্ষার্থী অপহরণ চক্রের ৮ সদস্য গ্রেফতার,উদ্ধার দুই কলেজ শিক্ষার্থী Logo ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৭ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি দেড় হাজারের বেশি

সবজির বাজারে অস্থিরতা,কমছে না নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম

বড়াল প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৬:০৯:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৬৪ বার পঠিত
80

বাজারে শীতকালীন সবজি আসতে শুরু করলেও কমছে না সবজির দাম। ক্রেতারা দাম শুনে চাহিদার থেকে কম পরিমাণে সবজি সংগ্রহ করছেন। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় সব সবজিতে কেজিতে গড়ে ৫ থেকে ১০ টাকা মূল্য বেড়েছে। বাড়তি দামে আটকে আছে অন্য সব নিত্যপ্রয়োজনী পণ্য। কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে কেজিতে ৮০ থেকে ১০০ টাকা। আরু ও পে^য়াজের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) চাটমোহর পুরাতন বাজার,নতুন বাজারসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,গত এক সপ্তাহ আগের তুলনায় প্রায় সবজির দাম কেজিপ্রতি ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। নিত্যপণ্যের দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। চাটমোহরে ছাগল ও ভেড়ার পিপিআর
ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন গাজর ১২০ টাকা,মুলা ৬০টাকা,প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধাকপির দাম ৫০ টাকা,বেগুন ৮০ টাকা,বরবটি ১০০ টাকা,করলা ৮০ টাকা,পটল ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা,পেঁপে ৪০ টাকা,ঝিঙে ৬০ টাকা,কচুরমুখি ১০০ টাকা,লাউয়ের পিস ৪০ টাকা,কাঁচা কলা প্রতি হালি ২০ টাকা ও কাঁচামরিচের কেজি ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে বাজারে প্রতিকেজি দেশী আলু ৫৫ টাকা ও জলেন্ডার ৪৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের কেজি ৮০ টাকা। অন্যদিকে মাছ,মাংস,মুরগীসহ অন্যান্য জিনিসের দামও বেড়েছে। ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছের কেজি ১৪০০ টাকা।
সবজি বিক্রেতা আঃ মমিন জানান,বাজারে শীতের সবজি আসতে শুরু করেছে। এখনো দাম কমেনি। আর কিছুদিন গেলে শীতকালীন সবজির দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন কম বেশি আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে।
বেসরকারি চাকুরীজীবি আহমেদ হাসান বলেন,আমাদের মত নির্ধারিত বেতনের যারা চাকরি করি তাদের এই বাজারে দুমুঠো খেয়ে বেঁচে থাকা কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মাছের বাজার থেকে শুরু করে সবজির বাজার, মুদি বাজার ও মাংসের বাজার কোন জায়গায়ই হাত দেওয়ার মত অবস্থা নেই। এখন চাহিদার থেকে অনেক কম কিনতে হচ্ছে। কিছু করার নেই।

ট্যাগস :

সবজির বাজারে অস্থিরতা,কমছে না নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম

আপডেট সময় : ০৬:০৯:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩
80

বাজারে শীতকালীন সবজি আসতে শুরু করলেও কমছে না সবজির দাম। ক্রেতারা দাম শুনে চাহিদার থেকে কম পরিমাণে সবজি সংগ্রহ করছেন। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় সব সবজিতে কেজিতে গড়ে ৫ থেকে ১০ টাকা মূল্য বেড়েছে। বাড়তি দামে আটকে আছে অন্য সব নিত্যপ্রয়োজনী পণ্য। কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে কেজিতে ৮০ থেকে ১০০ টাকা। আরু ও পে^য়াজের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) চাটমোহর পুরাতন বাজার,নতুন বাজারসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,গত এক সপ্তাহ আগের তুলনায় প্রায় সবজির দাম কেজিপ্রতি ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। নিত্যপণ্যের দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। চাটমোহরে ছাগল ও ভেড়ার পিপিআর
ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন গাজর ১২০ টাকা,মুলা ৬০টাকা,প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধাকপির দাম ৫০ টাকা,বেগুন ৮০ টাকা,বরবটি ১০০ টাকা,করলা ৮০ টাকা,পটল ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা,পেঁপে ৪০ টাকা,ঝিঙে ৬০ টাকা,কচুরমুখি ১০০ টাকা,লাউয়ের পিস ৪০ টাকা,কাঁচা কলা প্রতি হালি ২০ টাকা ও কাঁচামরিচের কেজি ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে বাজারে প্রতিকেজি দেশী আলু ৫৫ টাকা ও জলেন্ডার ৪৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের কেজি ৮০ টাকা। অন্যদিকে মাছ,মাংস,মুরগীসহ অন্যান্য জিনিসের দামও বেড়েছে। ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছের কেজি ১৪০০ টাকা।
সবজি বিক্রেতা আঃ মমিন জানান,বাজারে শীতের সবজি আসতে শুরু করেছে। এখনো দাম কমেনি। আর কিছুদিন গেলে শীতকালীন সবজির দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন কম বেশি আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে।
বেসরকারি চাকুরীজীবি আহমেদ হাসান বলেন,আমাদের মত নির্ধারিত বেতনের যারা চাকরি করি তাদের এই বাজারে দুমুঠো খেয়ে বেঁচে থাকা কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মাছের বাজার থেকে শুরু করে সবজির বাজার, মুদি বাজার ও মাংসের বাজার কোন জায়গায়ই হাত দেওয়ার মত অবস্থা নেই। এখন চাহিদার থেকে অনেক কম কিনতে হচ্ছে। কিছু করার নেই।