চাটমোহরে অনিয়মের মাধ্যমে মাদ্রাসার গভর্নিং বডি গঠণের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ১০:২৬:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩৬১ বার পঠিত

পাবনার চাটমোহর পৌর সদরে অবস্থিত এনায়েতুল্লাহ ইসলামিয়া সিনিয়র (ফাজিল) মাদ্রাসায় অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে গভর্নিং বডি গঠণ ও অনুমোদন করানো হয়েছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিয়মতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত অভিভাবক প্রতিনিধি ও শিক্ষক প্রতিনিধিদের রহস্যজনকভাবে বাদ দিয়ে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আবু ইসহাক গোপনে এই গভর্নিং বডি অনুমোদন করিয়েছেন। গভর্নিং বডিতে যাদেরকে অভিভাবক প্রতিনিধি ও শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে,তারা কেউই অভিভাবক প্রতিনিধি ও শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনে অংশ নেননি ও নির্বাচিতও হননি।শুধু তাই নয়,গভর্নিং বডির কোন প্রকার সভা ছাড়াই ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আবু ইসহাক একজনকে সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত দেখিয়েছেন। এই গভর্নিং বডিকে অবৈধ দাবি করে গভর্নিং বডির দাতা সদস্য ও চাটমোহর পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ আসাদুজ্জামান আরশেদ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গত ২৪ সেপ্টেম্বর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে,মাদ্রাসায় নিয়ম বহির্ভুতভাবে গভর্নিং বডি গঠণ করা হয়েছে। কোন সভা ছাড়াই নির্বাচিত করা হয়েছে সহ-সভাপতি। যারা নির্বাচনের মাধ্যমে অভিভাবক প্রতিনিধি ও শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন,তাদেরকে গভর্নিং বডিতে রাখা হয়নি। যেটা বড় ধরণের জালিয়াতি ও অনিয়ম। যাদের রাখা হয়েছে,তারা কোন নির্বাচনের মাধ্যমে আসেননি। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কাউকে না জানিয়ে চরম স্বেচ্ছাচারিতার মাধমে নিজের ইচ্ছেমতো অভিভাবক ও শিক্ষক প্রতিনিধি তৈরি করে গভর্নিং বডি অনুমোদন করিয়েছেন।
নির্বাচিত অভিভাবক প্রতিনিধি মোছাঃ ইয়ারুন নাহার জানান,এই কমিটি কখনও বৈধ নয়। তিনি নির্বাচিত অভিভাবক। এ ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আবু ইসহাকের সাথে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শফিউল ইসলাম জানান,তিনি গভর্নিং বডি গঠণের বিষয়টি জানেন না। দাতা সদস্যের অভিযোগ পাওয়ার পর জানলাম। তিনি বলেন,আমি প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগ পাওয়ার পর নিয়মতান্ত্রিকভাবে অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন করে নির্বাচিতদের তালিকা প্রকাশ করেছি। তারা কেন,কিভাবে বাদ যায়,সেটা আমার বোধগম্য নয়।
চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুসা নাসের চৌধুরী জানান,অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।













