দেবোত্তর বাজারে জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করলেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা!
- আপডেট সময় : ০৪:৪৬:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫ ১১৩ বার পঠিত

এবার আটঘরিয়া উপজেলার দেবোত্তর বাজারে জামায়াত ও শিবিরকে নিষিদ্ধ ঘোষনা করলেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। গতকাল শনিবার (২৪ মে) তেবোত্তর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির আয়োজনে দোকানপাট বন্ধসহ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচি চলাকালে বক্তারা এই ঘোষনা দেন।
গত ১৫ মে জামায়াত-শিবির কর্তৃক দেবোত্তর বাজারে সিসি ক্যামেরা ও দোকান ভাংচুর,ব্যবসার পরিবেশ বিনষ্ট করার প্রতিবাদে এবং দেবোত্তর বাজারে বণিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে শনিবার সকাল দশটা থেকে দেবোত্তর বাজার ব্যবসায়ীরা দুপুর বারোটা পর্যন্ত দোকানপাট বন্ধ করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন।
দেবোত্তর বাজার বণিক সমিতির আয়োজনে চৌরাস্তা মোড়ে ব্যবসায়ীদের অবস্থান কর্মসূচিতে সভাপিতত্ব করেন দেবোত্তর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মোঃ আশরাফুল ইসলাম খান। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন বাবু।
এসময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনোয়ার হোসেন আলম,উপজেলা বিএনপির সিনিয়ির যুগ্ম আহবায়ক আছিম উদ্দিন,পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আক্তারুজ্জামান মিলন,মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল প্রমুখ। সঞ্চালনায় ছিলেন ব্যবসায়ী তাওহিদ হোসেন।
এসময় বক্তারা বলেন,দেবোত্তর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নামে জামায়াত কর্তৃক যে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। দেবোত্তর বাজারের সাধারণ ব্যবসায়ীদের দোকানপাট ভাংচুর করা হয়েছে তার ক্ষতিপুরণ দিতে হবে।
বাজার সিসি ক্যামেরায় আওতায় ছিলো তা জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা ভাংচুর করে তান্ডব চালানো হয়েছে এর ক্ষতিপুরণ দিতে হবে।
বক্তরা আরও বলেন, ব্যবসায়ীদের ক্ষতি পুরণ না দেওয়া পর্যন্ত উপজেলা জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের বাজারে আসা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো। অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে র্যাব ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য আটঘরিয়ার দেবোত্তর ডিগ্রি কলেজের মানেজিং কমিটি নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম তোলাকে কেন্দ্র বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় দলের কমপক্ষে ৩০ জন আহত হন। মোটরসাইকেল,দুই দলের অফিস,দোকানপাট ভাঙ্চুর করা হয়।














