ঢাকা ০৫:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo আটঘরিয়ায় জলাবদ্ধতা নিরসনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Logo চাটমোহরে সার মজুত করে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ Logo পাবনায় শিশু কলি হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত Logo চাটমোহরে দিনমজুর হত্যা মামলায় নিরীহ ব্যক্তিদের জড়ানোর প্রতিবাদে গ্রামবাসীর মানববন্ধন ও প্রতিবাদ Logo র‍্যাব বিলুপ্ত হয়ে নতুন নামে যাত্রা শুরু Logo নিখোঁজের সাতদিন পর ডোবায় মিলল শিশু কলির বস্তাবন্দি মরদেহ; পরিবারের দাবি হত্যা Logo ধর্ষণের শিকার পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী Logo চাটমোহরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত Logo দুই শিক্ষার্থী অপহরণ চক্রের ৮ সদস্য গ্রেফতার,উদ্ধার দুই কলেজ শিক্ষার্থী Logo ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৭ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি দেড় হাজারের বেশি

সুজানগরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত আওয়ামীলীগ কর্মীর মৃত্যু

সুজানগর (পাবনা) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৪:১১:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুন ২০২৪ ১০৯ বার পঠিত
79

পাবনার সুজানগরে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত মোজাহার বিশ্বাস (৫৪) নামের এক আওয়ামী লীগ কর্মী মারা গেছেন। গত বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) সকালে রাজধানী ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
নিহত মোজাহার বিশ্বাস সুজানগর উপজেলার আমিনপুর থানার রানীনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ রাণীনগর গ্রামের মৃত আছির উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে। তিনি সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব গ্রুপের কর্মী বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,গত ২১ জুন রানীনগর এলাকায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল ওহাব ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুজ্জামান শাহীনের সমর্থকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে আলামিন মিয়া (৩৫) নামে শাহীন গ্রুপের একজন নিহত হন।
এ ঘটনার জেরে ওই এলাকার বেশকিছু বাড়িতে হামলা ও লুটপাট চালানো হয়। সেই হামলায় মোজাহার বিশ্বাসসহ ওহাব গ্রুপের বেশ কয়েকজন আহত হন। মোজাহার বিশ্বাসের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছয় দিন পর বৃহস্পতিবার তার মৃত্যু হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সহকারী পুলিশ সুপার (সুজানগর সার্কেল) রবিউল ইসলাম বলেন,‘মোজাহার বিশ্বাস চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় মারা গেছেন। ঢাকাতেই ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। অভিযোগের পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ঘটনার পরপরই এলাকার অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।’
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব বলেন,‘আগে যে মারা গেছে সেও আমার কর্মী। এখন যে মারা গেছেন সেও আমার কর্মী। তারা দুজনেই আওয়ামী লীগের কর্মী। আমি উভয় হত্যার বিচার চাই। পাশাপাশি যারা বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট করেছে তাদের কঠোর শাস্তি চাই। এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে আমি সেটাই চাই।’
সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুজ্জামান শাহিন বলেন,‘যেদিন যুবলীগ নেতা আল আমিন হত্যা হয়,ঘটনার পরপরই সেদিন নিহতদের লোকজন সেই মোজাহার বিশ্বাসের অবস্থান জানতে পেরে তাকে মারধর করে। সেই মারামারিতে মোজাহার বিশ্বাস আহত হয়েছিল। হত্যাকান্ডে যেই জড়িত থাক তার বিচার হওয়া উচিত।

ট্যাগস :

সুজানগরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত আওয়ামীলীগ কর্মীর মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৪:১১:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুন ২০২৪
79

পাবনার সুজানগরে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত মোজাহার বিশ্বাস (৫৪) নামের এক আওয়ামী লীগ কর্মী মারা গেছেন। গত বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) সকালে রাজধানী ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
নিহত মোজাহার বিশ্বাস সুজানগর উপজেলার আমিনপুর থানার রানীনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ রাণীনগর গ্রামের মৃত আছির উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে। তিনি সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব গ্রুপের কর্মী বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,গত ২১ জুন রানীনগর এলাকায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল ওহাব ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুজ্জামান শাহীনের সমর্থকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে আলামিন মিয়া (৩৫) নামে শাহীন গ্রুপের একজন নিহত হন।
এ ঘটনার জেরে ওই এলাকার বেশকিছু বাড়িতে হামলা ও লুটপাট চালানো হয়। সেই হামলায় মোজাহার বিশ্বাসসহ ওহাব গ্রুপের বেশ কয়েকজন আহত হন। মোজাহার বিশ্বাসের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছয় দিন পর বৃহস্পতিবার তার মৃত্যু হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সহকারী পুলিশ সুপার (সুজানগর সার্কেল) রবিউল ইসলাম বলেন,‘মোজাহার বিশ্বাস চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় মারা গেছেন। ঢাকাতেই ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। অভিযোগের পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ঘটনার পরপরই এলাকার অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।’
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব বলেন,‘আগে যে মারা গেছে সেও আমার কর্মী। এখন যে মারা গেছেন সেও আমার কর্মী। তারা দুজনেই আওয়ামী লীগের কর্মী। আমি উভয় হত্যার বিচার চাই। পাশাপাশি যারা বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট করেছে তাদের কঠোর শাস্তি চাই। এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে আমি সেটাই চাই।’
সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুজ্জামান শাহিন বলেন,‘যেদিন যুবলীগ নেতা আল আমিন হত্যা হয়,ঘটনার পরপরই সেদিন নিহতদের লোকজন সেই মোজাহার বিশ্বাসের অবস্থান জানতে পেরে তাকে মারধর করে। সেই মারামারিতে মোজাহার বিশ্বাস আহত হয়েছিল। হত্যাকান্ডে যেই জড়িত থাক তার বিচার হওয়া উচিত।