ঢাকা ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo দীর্ঘদিনের পথচলার স্বীকৃতি: নিবন্ধিত হলো ‘হৃদস্পন্দন ফাউন্ডেশন’ Logo বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল জব্বার আর নেই Logo মাদকসহ অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর মানববন্ধন Logo পাবনায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ Logo ঈশ্বরদীতে নির্মিত হবে নতুন হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ঃ রেল সচিব Logo বর্নাঢ্য আয়োজনে চাটমোহর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দিনব্যাপী পুণর্মিলনী উৎসব Logo চাটমোহরে অবৈধভাবে মজুত ১১৪ বস্তা সার জব্দ Logo ভাঙ্গুড়ায় রোজিনা হত্যার অভিযোগ, বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন Logo চাটমোহরে শারদীয় পুনর্মিলনী ও প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণ Logo চাটমোহরের শীর্ষ তিন কর্মকর্তা বদলী

ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শনিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৫:২৬:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫ ৩৪৫ বার পঠিত
371

আগামীকাল শনিবার (১৫ মার্চ) সারাদেশে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ২৬ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। দেশের ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী ইপিআই (ইমিউনাইজেশন প্রোগ্রাম) কেন্দ্রের মাধ্যমে এই কার্যক্রম চলবে। এই ক্যাম্পেইনটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা ক্ষেত্রে ভিটামিন ‘এ’ এর কার্যকর প্রয়োগ দেশের শিশুমৃত্যু হার কমাতে সহায়তা করেছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর জন্য সরকারের নানা উদ্যোগের ফলে অপুষ্টি এবং শিশু ও মাতৃমৃত্যু কমেছে। বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য ফোরামের সদস্য হিসেবে পুষ্টি ক্ষেত্রে বিশ্ব নেতৃত্বে ভূমিকা রেখে আসছে।
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর অপুষ্টিজনিত কারণে শিশুদের মধ্যে রাতকানা রোগের হার ছিল ৪ দশমিক ১০ শতাংশ। তবে ১৯৭৪ সালে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর উদ্যোগ গ্রহণের পর থেকে রাতকানা রোগের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে এবং বর্তমানে ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবজনিত রাতকানা রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা প্রায় নেই বললেই চলে।
ভিটামিন ‘এ’ শুধু চোখের অন্ধত্বই প্রতিরোধ করে না, এটি ৫ বছরের নিচে শিশুদের মৃত্যুর হারও উল্লেখযোগ্য হারে কমায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিটামিন ‘এ’ এর অভাব শিশুদের নানা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, ফলে তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে, অনুন্নত এলাকার অনেক শিশুই প্রয়োজনীয় পুষ্টি থেকে বঞ্চিত থাকে, যার ফলে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন মাধ্যমে প্রতি বছর দুইবার প্রায় ৯৮ শতাংশ শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হচ্ছে, যার ফলস্বরূপ ভিটামিন ‘এ’ অভাবজনিত অন্ধত্বের হার ১ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে এবং শিশু মৃত্যুর হারও কমেছে।

ট্যাগস :

ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শনিবার

আপডেট সময় : ০৫:২৬:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫
371

আগামীকাল শনিবার (১৫ মার্চ) সারাদেশে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ২৬ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। দেশের ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী ইপিআই (ইমিউনাইজেশন প্রোগ্রাম) কেন্দ্রের মাধ্যমে এই কার্যক্রম চলবে। এই ক্যাম্পেইনটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা ক্ষেত্রে ভিটামিন ‘এ’ এর কার্যকর প্রয়োগ দেশের শিশুমৃত্যু হার কমাতে সহায়তা করেছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর জন্য সরকারের নানা উদ্যোগের ফলে অপুষ্টি এবং শিশু ও মাতৃমৃত্যু কমেছে। বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য ফোরামের সদস্য হিসেবে পুষ্টি ক্ষেত্রে বিশ্ব নেতৃত্বে ভূমিকা রেখে আসছে।
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর অপুষ্টিজনিত কারণে শিশুদের মধ্যে রাতকানা রোগের হার ছিল ৪ দশমিক ১০ শতাংশ। তবে ১৯৭৪ সালে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর উদ্যোগ গ্রহণের পর থেকে রাতকানা রোগের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে এবং বর্তমানে ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবজনিত রাতকানা রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা প্রায় নেই বললেই চলে।
ভিটামিন ‘এ’ শুধু চোখের অন্ধত্বই প্রতিরোধ করে না, এটি ৫ বছরের নিচে শিশুদের মৃত্যুর হারও উল্লেখযোগ্য হারে কমায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিটামিন ‘এ’ এর অভাব শিশুদের নানা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, ফলে তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে, অনুন্নত এলাকার অনেক শিশুই প্রয়োজনীয় পুষ্টি থেকে বঞ্চিত থাকে, যার ফলে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন মাধ্যমে প্রতি বছর দুইবার প্রায় ৯৮ শতাংশ শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হচ্ছে, যার ফলস্বরূপ ভিটামিন ‘এ’ অভাবজনিত অন্ধত্বের হার ১ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে এবং শিশু মৃত্যুর হারও কমেছে।