ঢাকা ০৫:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo আটঘরিয়ায় জলাবদ্ধতা নিরসনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Logo চাটমোহরে সার মজুত করে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ Logo পাবনায় শিশু কলি হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত Logo চাটমোহরে দিনমজুর হত্যা মামলায় নিরীহ ব্যক্তিদের জড়ানোর প্রতিবাদে গ্রামবাসীর মানববন্ধন ও প্রতিবাদ Logo র‍্যাব বিলুপ্ত হয়ে নতুন নামে যাত্রা শুরু Logo নিখোঁজের সাতদিন পর ডোবায় মিলল শিশু কলির বস্তাবন্দি মরদেহ; পরিবারের দাবি হত্যা Logo ধর্ষণের শিকার পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী Logo চাটমোহরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত Logo দুই শিক্ষার্থী অপহরণ চক্রের ৮ সদস্য গ্রেফতার,উদ্ধার দুই কলেজ শিক্ষার্থী Logo ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৭ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি দেড় হাজারের বেশি

মাঝারি তাপপ্রবাহে পুড়ছে ঈশ্বরদী,বিপর্যস্ত জনজীবন

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০২:৫২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ৬১ বার পঠিত
110

পাবনার ঈশ্বরদীর ওপর দিয়ে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, এতে জনজীবন হয়ে উঠেছে বিপর্যস্ত। সকাল থেকেই তীব্র রোদের দাপট, আর দুপুর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে। প্রচণ্ড গরমে সড়ক-মহাসড়কের পিচ নরম হয়ে যাচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা। গরমে মানুষ ছাড়াও কাহিল হয়ে পড়েছে গবাদিপশু ও অন্যান্য প্রাণী।
ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২২ এপ্রিল) এ অঞ্চলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত কয়েক দিন ধরেই তাপমাত্রা মাঝারি তাপপ্রবাহের কাছাকাছি অবস্থান করছিল।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তা মৃদু তাপপ্রবাহ, ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি হলে মাঝারি তাপপ্রবাহ, ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি হলে তীব্র তাপপ্রবাহ এবং ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে বিবেচিত হয়।
গত কয়েক দিনের তীব্র গরমে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম ভোগান্তি। বিশেষ করে দুপুর ১২টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাইরে বের হওয়া দুঃসহ হয়ে উঠেছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। রিকশাচালক, দিনমজুর ও শ্রমজীবী মানুষের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। জীবিকার তাগিদে তাদের প্রচণ্ড গরম উপেক্ষা করে কাজ করতে হচ্ছে। একইভাবে মাঠে বোরো ধান কাটতে গিয়ে শ্রমিকদেরও চরম কষ্ট সহ্য করতে হচ্ছে।
ঈশ্বরদী বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী সুবির দাস বলেন, “দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দোকানে তেমন ক্রেতা থাকে না। প্রচণ্ড গরমের কারণে মানুষ বাইরে বের হতে চাইছে না।” তবে শহরের বিভিন্ন মোড়ে আখের রস ও ঠান্ডা শরবতের চাহিদা বেড়েছে বলে জানান তিনি।
নূরপাড়া এলাকার বাসিন্দা মিজানুর রহমান মল্লিক বলেন, “এখন খুব বৃষ্টি দরকার। কিন্তু আকাশে মেঘ নেই, বাতাসও নেই—সবকিছু যেন থমকে আছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ চলে গেলে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।”
ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের সহকারী পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন জানান, বর্তমানে ঈশ্বরদীতে মাঝারি তাপপ্রবাহ চলছে। বৃষ্টি না হলে পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা কম। তিনি আরও জানান, বুধবার এ মৌসুমের সর্বোচ্চ ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

ট্যাগস :

মাঝারি তাপপ্রবাহে পুড়ছে ঈশ্বরদী,বিপর্যস্ত জনজীবন

আপডেট সময় : ০২:৫২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
110

পাবনার ঈশ্বরদীর ওপর দিয়ে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, এতে জনজীবন হয়ে উঠেছে বিপর্যস্ত। সকাল থেকেই তীব্র রোদের দাপট, আর দুপুর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে। প্রচণ্ড গরমে সড়ক-মহাসড়কের পিচ নরম হয়ে যাচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা। গরমে মানুষ ছাড়াও কাহিল হয়ে পড়েছে গবাদিপশু ও অন্যান্য প্রাণী।
ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২২ এপ্রিল) এ অঞ্চলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত কয়েক দিন ধরেই তাপমাত্রা মাঝারি তাপপ্রবাহের কাছাকাছি অবস্থান করছিল।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তা মৃদু তাপপ্রবাহ, ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি হলে মাঝারি তাপপ্রবাহ, ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি হলে তীব্র তাপপ্রবাহ এবং ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে বিবেচিত হয়।
গত কয়েক দিনের তীব্র গরমে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম ভোগান্তি। বিশেষ করে দুপুর ১২টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাইরে বের হওয়া দুঃসহ হয়ে উঠেছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। রিকশাচালক, দিনমজুর ও শ্রমজীবী মানুষের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। জীবিকার তাগিদে তাদের প্রচণ্ড গরম উপেক্ষা করে কাজ করতে হচ্ছে। একইভাবে মাঠে বোরো ধান কাটতে গিয়ে শ্রমিকদেরও চরম কষ্ট সহ্য করতে হচ্ছে।
ঈশ্বরদী বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী সুবির দাস বলেন, “দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দোকানে তেমন ক্রেতা থাকে না। প্রচণ্ড গরমের কারণে মানুষ বাইরে বের হতে চাইছে না।” তবে শহরের বিভিন্ন মোড়ে আখের রস ও ঠান্ডা শরবতের চাহিদা বেড়েছে বলে জানান তিনি।
নূরপাড়া এলাকার বাসিন্দা মিজানুর রহমান মল্লিক বলেন, “এখন খুব বৃষ্টি দরকার। কিন্তু আকাশে মেঘ নেই, বাতাসও নেই—সবকিছু যেন থমকে আছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ চলে গেলে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।”
ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের সহকারী পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন জানান, বর্তমানে ঈশ্বরদীতে মাঝারি তাপপ্রবাহ চলছে। বৃষ্টি না হলে পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা কম। তিনি আরও জানান, বুধবার এ মৌসুমের সর্বোচ্চ ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।