ঢাকা ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo দীর্ঘদিনের পথচলার স্বীকৃতি: নিবন্ধিত হলো ‘হৃদস্পন্দন ফাউন্ডেশন’ Logo বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল জব্বার আর নেই Logo মাদকসহ অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর মানববন্ধন Logo পাবনায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ Logo ঈশ্বরদীতে নির্মিত হবে নতুন হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ঃ রেল সচিব Logo বর্নাঢ্য আয়োজনে চাটমোহর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দিনব্যাপী পুণর্মিলনী উৎসব Logo চাটমোহরে অবৈধভাবে মজুত ১১৪ বস্তা সার জব্দ Logo ভাঙ্গুড়ায় রোজিনা হত্যার অভিযোগ, বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন Logo চাটমোহরে শারদীয় পুনর্মিলনী ও প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণ Logo চাটমোহরের শীর্ষ তিন কর্মকর্তা বদলী

ফরিদপুরে বড়াল নদের ভাঙ্গনে বাড়িঘরের ক্ষতি

ফরিদপুর (পাবনা) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৮:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪ ২২৯ বার পঠিত
150

বড়াল নদের ভাঙ্গনে পাবনার ফরিদপুর উপজেলার পুঙ্গলী ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের ১২টি বাড়ি নদের গর্ভে বিলীন হয়েছে,ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে আরো ১৫টি বাড়ি। ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য গোলজার হোসেন জানান,গত বছর থেকে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। এবার ভাঙ্গন বেশি হওয়ায় রেজাউল হক,রাসেল হোসেন,রাজু আহমেদ,শুভ হোসেন,আফেল হোসেন,রিপন হোসেন,আবু সাঈদ,ইদ্রিস সরকার,সুলতান সরকার,সাইফ উদ্দিন,ইছাক মোল্লা ও শাহিন মোল্লার বাড়ি বিলীন হয়েছে। বাড়িঘরের সাথে বাঁশ ঝাড় ও গাছপালাও নদের গর্ভে চলে গেছে। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ও হুমকিতে রয়েছে,ইজন মোল্লা,লোকমান হোসেন,আলম হোসেন,উকিল হোসেন,হাসু মোল্লা,এজন হোসেন,বাবু হোসেন,মনসের সরকার,স্বপন হোসেন,ইব্রাহিম হোসেন,সাদুল্লাহ হোসেন,ওহিদুল ইসলাম,মধু হোসেন,জাহিদ হোসেন ও শরিফ হোসেনের বাড়ি। ভাঙ্গনের শিকার রেজাউল হক,রাসেল হোসেন,রাজু আহমেদ ও ইদ্রিস সরকার জানান,প্রায় শত বছর ধরে আমাদের বাপ-দাদারাসহ আমরা এখানে বসবাস করছিলাম। কিন্তু এখন আমরা গৃহহীন হয়ে গেলাম। জরিনা খাতুন ও আবেদা খাতুন বলেন,আমাদের দাদা শ^শুররাও এখানে বাস করতো কিন্তু এখন আমরা গৃহহীন হয়ে ১৫ দিন আগে ওয়াপদা বাঁধে আশ্রয় নিয়েছি। পুঙ্গলী ইউপি চেয়ারম্যান সুমন হোসেন তালুকদার জানান,ক্ষতিগ্রস্থ বাড়ি-ঘর গুলোর পাশে বড়ালের উপর একটি ব্রীজ নির্মাণ চলমান রয়েছে প্রায় ৩ বছর ধরে। এ ব্রীজের একটি পিলার নির্মাণের জন্য এ স্থানে বিশাল গর্ত করা হয়। কিন্তু ঠিকাদার প্রায় ২ বছর পিলার নির্মাণ বন্ধ রাখায় গত বছর এ স্থান দিয়ে পানির ¯্রােত তীব্র বেগে প্রবাহিত হওয়ায় এ ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়। এমপি আলহাজ মকবুল হোসেনের সুপারিশ নিয়ে ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে বিষয়টি গত বছর পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হলে প্রকৌশলী রাজিব হোসেনএসে সরেজমিনে পরিস্থিতি দেখে গেলেও তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি। ফলে এ বছর ভাঙ্গন তীব্র হয়েছে,বাড়ি-ঘর বিলিন হয়ে যাচ্ছে।এবারও বড়ালের পানি বাড়ার আগেই পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। কিন্তু তারা কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এখন এমপি আলহাজ মকবুল হোসেনের সুপারিশ নিয়ে আরেকটি দরখাস্ত আগামী ১৪ জুলাই পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দেওয়া হবে। এ ব্যপারে পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন,আমাদের একজন প্রকৌশলীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে,তিনি বিষয়টি দেখে দ্রুতই ব্যবস্থা নেবেন।

ট্যাগস :

ফরিদপুরে বড়াল নদের ভাঙ্গনে বাড়িঘরের ক্ষতি

আপডেট সময় : ০৫:৪৮:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪
150

বড়াল নদের ভাঙ্গনে পাবনার ফরিদপুর উপজেলার পুঙ্গলী ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের ১২টি বাড়ি নদের গর্ভে বিলীন হয়েছে,ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে আরো ১৫টি বাড়ি। ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য গোলজার হোসেন জানান,গত বছর থেকে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। এবার ভাঙ্গন বেশি হওয়ায় রেজাউল হক,রাসেল হোসেন,রাজু আহমেদ,শুভ হোসেন,আফেল হোসেন,রিপন হোসেন,আবু সাঈদ,ইদ্রিস সরকার,সুলতান সরকার,সাইফ উদ্দিন,ইছাক মোল্লা ও শাহিন মোল্লার বাড়ি বিলীন হয়েছে। বাড়িঘরের সাথে বাঁশ ঝাড় ও গাছপালাও নদের গর্ভে চলে গেছে। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ও হুমকিতে রয়েছে,ইজন মোল্লা,লোকমান হোসেন,আলম হোসেন,উকিল হোসেন,হাসু মোল্লা,এজন হোসেন,বাবু হোসেন,মনসের সরকার,স্বপন হোসেন,ইব্রাহিম হোসেন,সাদুল্লাহ হোসেন,ওহিদুল ইসলাম,মধু হোসেন,জাহিদ হোসেন ও শরিফ হোসেনের বাড়ি। ভাঙ্গনের শিকার রেজাউল হক,রাসেল হোসেন,রাজু আহমেদ ও ইদ্রিস সরকার জানান,প্রায় শত বছর ধরে আমাদের বাপ-দাদারাসহ আমরা এখানে বসবাস করছিলাম। কিন্তু এখন আমরা গৃহহীন হয়ে গেলাম। জরিনা খাতুন ও আবেদা খাতুন বলেন,আমাদের দাদা শ^শুররাও এখানে বাস করতো কিন্তু এখন আমরা গৃহহীন হয়ে ১৫ দিন আগে ওয়াপদা বাঁধে আশ্রয় নিয়েছি। পুঙ্গলী ইউপি চেয়ারম্যান সুমন হোসেন তালুকদার জানান,ক্ষতিগ্রস্থ বাড়ি-ঘর গুলোর পাশে বড়ালের উপর একটি ব্রীজ নির্মাণ চলমান রয়েছে প্রায় ৩ বছর ধরে। এ ব্রীজের একটি পিলার নির্মাণের জন্য এ স্থানে বিশাল গর্ত করা হয়। কিন্তু ঠিকাদার প্রায় ২ বছর পিলার নির্মাণ বন্ধ রাখায় গত বছর এ স্থান দিয়ে পানির ¯্রােত তীব্র বেগে প্রবাহিত হওয়ায় এ ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়। এমপি আলহাজ মকবুল হোসেনের সুপারিশ নিয়ে ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে বিষয়টি গত বছর পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হলে প্রকৌশলী রাজিব হোসেনএসে সরেজমিনে পরিস্থিতি দেখে গেলেও তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি। ফলে এ বছর ভাঙ্গন তীব্র হয়েছে,বাড়ি-ঘর বিলিন হয়ে যাচ্ছে।এবারও বড়ালের পানি বাড়ার আগেই পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। কিন্তু তারা কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এখন এমপি আলহাজ মকবুল হোসেনের সুপারিশ নিয়ে আরেকটি দরখাস্ত আগামী ১৪ জুলাই পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দেওয়া হবে। এ ব্যপারে পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন,আমাদের একজন প্রকৌশলীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে,তিনি বিষয়টি দেখে দ্রুতই ব্যবস্থা নেবেন।