ঢাকা ০২:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo দীর্ঘদিনের পথচলার স্বীকৃতি: নিবন্ধিত হলো ‘হৃদস্পন্দন ফাউন্ডেশন’ Logo বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল জব্বার আর নেই Logo মাদকসহ অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর মানববন্ধন Logo পাবনায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ Logo ঈশ্বরদীতে নির্মিত হবে নতুন হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ঃ রেল সচিব Logo বর্নাঢ্য আয়োজনে চাটমোহর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দিনব্যাপী পুণর্মিলনী উৎসব Logo চাটমোহরে অবৈধভাবে মজুত ১১৪ বস্তা সার জব্দ Logo ভাঙ্গুড়ায় রোজিনা হত্যার অভিযোগ, বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন Logo চাটমোহরে শারদীয় পুনর্মিলনী ও প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণ Logo চাটমোহরের শীর্ষ তিন কর্মকর্তা বদলী

ফরিদপুরে সুরাইয়া হত্যার রহস্য উন্মোচন,স্বামী-স্ত্রী গ্রেফতার

ফরিদপুর (পাবনা) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৬:০৮:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬ ২৪৫ বার পঠিত
388

পাবনা জেলা পুলিশের তৎপরতায় অবশেষে পাবানার ফরিদপুরের স্কুলছাত্রী সুরাইয়া খাতুন হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচন হয়েছে।পাবনা পুলিশ সুপার মোঃ আনোয়ার জাহিদের তত্বাবধানে পাবনা ডিবির ওসি মোঃ রাসেদুল ইসলাম,এসআই অসিত কুমার ও এস আই আব্দুল লতিফের অভিযানে বেরিয়ে আসে লোমহর্ষক ঘটনা। পাবনা জেলা পুলিশের তদন্ত সুত্রে জানা যায়, ফরিদপুর উপজেলার আগজন্তিহার গ্রামের ব্যবসায়ী স্বপন হোসেনের ৮ম শ্রেণিতে পড়–য়া মেয়ে সুরাইয়া খাতুন একই গ্রামের নাছির হোসেনের ছেলে সবুজ হোসেনের প্রেমের সম্পর্কে রকারণে তারা পালিয়ে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু সবুজ আর্থিকভাবে স্বচ্ছল না হওয়ায় সুরাইয়া অর্থের কথা চিন্তাকরে। এ সুযোগকে কাজে লাগাতে সুরাইয়ার আপন চাচাতো বোন ডালিয়া খাতুন ও তার আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল ও অসুস্থ স্বামী আব্দুল লতিফ সুরাইয়ার পিতা ও দাদার কাছ থেকে অর্থ আদায় করে সুরাইয়াকে বিয়ে দিবে ও তাদের নিজেদের সংসারের অভাব মেটানোর জন্য সুরাইয়ার সাথে পরিকল্পনা করে।পরিকল্পনা অনুযায়ী ডালিয়া খাতুন তার আতœীয় বাড়িতে বেড়াতে যাবার কথা বলে সুরাইয়াকে নিয়ে ভাঙ্গুরা উপজেলার কাজিটোল এলাকায় যায়।সেখানে আগে থেকেই ডালিয়ার স্বামী লতিফ অবস্থান করছিল। এরপর তিনজন মিলে সন্ধায় জমির ভিতর দিয়ে ফরিদপুরের জন্তিহার গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে কৌশলে সুরাইয়াকে ১০টি ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ডালিয়া ও লতিফ বাড়ি ফিরে যায়। গভীর রাতেতারা আবার ঐ ঘরে গিয়ে দেখে সুরাইয়া মারা গেছে। ঘটনাকে ভিন্নখাতে নিতে এবং অপহরণের নাটক সত্য বলে দেখানোর জন্য তারা মৃত সুরাইয়ার হাত-পাা ও মুখ বেঁধে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে বিল নলুয়াবিলের পাশে একটি পুকুরে ফেলে দিয়ে বাড়ি যায়। পরে গত ১৭ জানুয়ারি লতিফ একটি নতুন সিম কিনে তার মোবাইল থেকে সুরাইয়ার দাদার কাছে চাঁদা চেয়ে ফোন করে যাতে অপহরণের ঘটনা সত্য বলে মনে হয়।পরে গত ১৮ জানুয়ারি সকাল ১১টার দিকে ফরিদপুর থানা পুলিশ ঐ পুকুর থেকে সুরাইয়ার লাশ উদ্ধার করে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লতিফকে গ্রেফতার করে। পরে গত সোমবার পাবনা জেলা পুলিশ আঃ লতিফকে নিয়ে এলাকায় গিয়ে তার স্ত্রী ডালিয়াকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আসল রহস্য বেরিয়ে আসে।

ট্যাগস :

ফরিদপুরে সুরাইয়া হত্যার রহস্য উন্মোচন,স্বামী-স্ত্রী গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৬:০৮:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
388

পাবনা জেলা পুলিশের তৎপরতায় অবশেষে পাবানার ফরিদপুরের স্কুলছাত্রী সুরাইয়া খাতুন হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচন হয়েছে।পাবনা পুলিশ সুপার মোঃ আনোয়ার জাহিদের তত্বাবধানে পাবনা ডিবির ওসি মোঃ রাসেদুল ইসলাম,এসআই অসিত কুমার ও এস আই আব্দুল লতিফের অভিযানে বেরিয়ে আসে লোমহর্ষক ঘটনা। পাবনা জেলা পুলিশের তদন্ত সুত্রে জানা যায়, ফরিদপুর উপজেলার আগজন্তিহার গ্রামের ব্যবসায়ী স্বপন হোসেনের ৮ম শ্রেণিতে পড়–য়া মেয়ে সুরাইয়া খাতুন একই গ্রামের নাছির হোসেনের ছেলে সবুজ হোসেনের প্রেমের সম্পর্কে রকারণে তারা পালিয়ে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু সবুজ আর্থিকভাবে স্বচ্ছল না হওয়ায় সুরাইয়া অর্থের কথা চিন্তাকরে। এ সুযোগকে কাজে লাগাতে সুরাইয়ার আপন চাচাতো বোন ডালিয়া খাতুন ও তার আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল ও অসুস্থ স্বামী আব্দুল লতিফ সুরাইয়ার পিতা ও দাদার কাছ থেকে অর্থ আদায় করে সুরাইয়াকে বিয়ে দিবে ও তাদের নিজেদের সংসারের অভাব মেটানোর জন্য সুরাইয়ার সাথে পরিকল্পনা করে।পরিকল্পনা অনুযায়ী ডালিয়া খাতুন তার আতœীয় বাড়িতে বেড়াতে যাবার কথা বলে সুরাইয়াকে নিয়ে ভাঙ্গুরা উপজেলার কাজিটোল এলাকায় যায়।সেখানে আগে থেকেই ডালিয়ার স্বামী লতিফ অবস্থান করছিল। এরপর তিনজন মিলে সন্ধায় জমির ভিতর দিয়ে ফরিদপুরের জন্তিহার গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে কৌশলে সুরাইয়াকে ১০টি ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ডালিয়া ও লতিফ বাড়ি ফিরে যায়। গভীর রাতেতারা আবার ঐ ঘরে গিয়ে দেখে সুরাইয়া মারা গেছে। ঘটনাকে ভিন্নখাতে নিতে এবং অপহরণের নাটক সত্য বলে দেখানোর জন্য তারা মৃত সুরাইয়ার হাত-পাা ও মুখ বেঁধে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে বিল নলুয়াবিলের পাশে একটি পুকুরে ফেলে দিয়ে বাড়ি যায়। পরে গত ১৭ জানুয়ারি লতিফ একটি নতুন সিম কিনে তার মোবাইল থেকে সুরাইয়ার দাদার কাছে চাঁদা চেয়ে ফোন করে যাতে অপহরণের ঘটনা সত্য বলে মনে হয়।পরে গত ১৮ জানুয়ারি সকাল ১১টার দিকে ফরিদপুর থানা পুলিশ ঐ পুকুর থেকে সুরাইয়ার লাশ উদ্ধার করে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লতিফকে গ্রেফতার করে। পরে গত সোমবার পাবনা জেলা পুলিশ আঃ লতিফকে নিয়ে এলাকায় গিয়ে তার স্ত্রী ডালিয়াকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আসল রহস্য বেরিয়ে আসে।